বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান শিক্ষক কতৃক সহকারী শিক্ষকের স্ত্রী ধর্ষন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ১০:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০
  • ৪৩৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম কতৃক বন্ধু ও সহকারী শিক্ষক মিলনের স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 জানা গেছে, গত ২০ জানুয়ারী রফিকুল ইসলাম পলাশবাড়ি উপজেলার গৃধারীপুর চক পাড়া গ্রামের এ এইচ এম মিলন আহমেদের স্ত্রী মিতু বেগমকে (৩০) তার শিক্ষক স্বামীর অনুপস্থিতিতে বেলা ২টার দিকে বাড়িতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এ সময় ধর্ষিতার স্বামী বাসায় আসলে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে অপ্রস্তুত অবস্থায় বাসা থেকে বের হয়ে যেতে দেখে।

এবং মিলন ঘরে প্রবেশ করে তার স্ত্রীকে নগ্ন অবস্থায় দেখতে পায়।  স্ত্রীকে জোড় পূর্বক ধর্ষনের বিষয়টি স্বামী মিলনকে বললে সে দ্রুত স্থানীয় জনগনের সহযোগিতায় বন্ধু ধর্ষক রফিকুলকে ধরতে সক্ষম হয়।

এ সময় রফিকুলকে উত্তেজিত জনতা বেদম মারপিট করা শুরু করে। পরে মিলন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধর্ষক রফিকুলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে থানায় রফিকুলের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামী রফিকুলকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম শক্তিপুর গ্রামের মৃত আ. কুদ্দুস সরকারের পুত্র।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধর্ষনের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোচাশহর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধিবর্হিভুত নিয়োগ, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ লুটপাটসহ নানাবিধ অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে।

জনপ্রিয়

প্রথম সারির সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে প্রশিক্ষণের নামে ভুয়াদের মিলনমেলা- গাইবান্ধা তথ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষোভের বিস্ফোরণ

error: Content is protected !!

প্রধান শিক্ষক কতৃক সহকারী শিক্ষকের স্ত্রী ধর্ষন

প্রকাশের সময়: ১০:০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম কতৃক বন্ধু ও সহকারী শিক্ষক মিলনের স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 জানা গেছে, গত ২০ জানুয়ারী রফিকুল ইসলাম পলাশবাড়ি উপজেলার গৃধারীপুর চক পাড়া গ্রামের এ এইচ এম মিলন আহমেদের স্ত্রী মিতু বেগমকে (৩০) তার শিক্ষক স্বামীর অনুপস্থিতিতে বেলা ২টার দিকে বাড়িতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

এ সময় ধর্ষিতার স্বামী বাসায় আসলে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে অপ্রস্তুত অবস্থায় বাসা থেকে বের হয়ে যেতে দেখে।

এবং মিলন ঘরে প্রবেশ করে তার স্ত্রীকে নগ্ন অবস্থায় দেখতে পায়।  স্ত্রীকে জোড় পূর্বক ধর্ষনের বিষয়টি স্বামী মিলনকে বললে সে দ্রুত স্থানীয় জনগনের সহযোগিতায় বন্ধু ধর্ষক রফিকুলকে ধরতে সক্ষম হয়।

এ সময় রফিকুলকে উত্তেজিত জনতা বেদম মারপিট করা শুরু করে। পরে মিলন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধর্ষক রফিকুলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে থানায় রফিকুলের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামী রফিকুলকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম শক্তিপুর গ্রামের মৃত আ. কুদ্দুস সরকারের পুত্র।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধর্ষনের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কোচাশহর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধিবর্হিভুত নিয়োগ, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ লুটপাটসহ নানাবিধ অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে।