
অর্পিত সম্পত্তি দখল সংক্রান্ত প্রায় ৩ কোটি টাকার জালিয়াতির তথ্য চাইতে গিয়ে সহকারী কমিশনারের (ভূমি) হাতে দুই সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে গাইবান্ধার সংবাদকর্মী সমাজ। অভিযুক্ত এসিল্যান্ড জসিম উদ্দীনের দ্রুত অপসারণ ও কঠোর বিভাগীয় শাস্তির দাবিতে প্রশাসনকে চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিয়েছে সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাব।
রোববার বিকেলে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি প্রতিবাদ সভা থেকে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে এই হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিক নেতারা। ক্লাবের সভাপতি মো. শাহজাহান সোহেলের সভাপতিত্বে সভায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার কাছ থেকে মাস্তানিসুলভ ও মারমুখী আচরণ কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। অবিলম্বে তাকে প্রত্যাহার না করা হলে রাজপথে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
সভায় বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান পলাশ, তোফায়েল হোসেন জাকির, আমিনুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি তাজুল ইসলাম রেজা ও খোরশেদ আলমসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। বক্তারা বলেন, যোগদানের পর থেকেই ওই কর্মকর্তা ভূমি সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও নানা অনিয়মের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তার অপেশাদার কর্মকাণ্ডে পুরো প্রশাসনের ভাবমূর্তি চরম সংকটে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন ধাপেরহাটের হাসানপাড়ায় সরকারি সম্পত্তি ব্যক্তি মালিকানাধীন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগের ব্যাখ্যা চাইতে যান সময় টিভির হেদায়েতুল ইসলাম বাবু ও যমুনা টিভির জিল্লুর রহমান মণ্ডল পলাশ। সেখানে কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে ক্যামেরা-মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান।
ঘটনাটির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হলে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়। এরই অংশ হিসেবে রোববার গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) আশরাফুল ইসলাম ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের জবানবন্দি গ্রহণ ও রেকর্ড করেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ আতিকুর রহমান আতিক বাবু, বার্তা সম্পাদক: শামসুর রহমান হৃদয়, বিজ্ঞাপন বিভাগ: রওশন সরকার, 01707-480805, সম্পাদকীয় কার্যালয়: হকার্স মার্কেট, ডিবি রোড, গাইবান্ধা। যোগাযোগ: 01713-739236
Copyright © 2025 গণ উত্তরণ. All Rights Reserved.