
গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক ডা. মঈনুল হাসান সাদিকের নাম এবং দলীয় পদবি ব্যবহার করে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে মেতে উঠেছে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র। বারবার একই ধরনের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না থাকায় ব্যবসায়ী মহল ও রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম ক্ষোভ ও গভীর অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ০১৭১৫-৬০৬৬১৫ ও ০১৭১১-৩৩৩৯৪৩ নম্বর ব্যবহার করে চক্রটি বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও নেতৃবৃন্দকে ফোন দিয়ে ডা. সাদিকের পরিচয় দিচ্ছে। এরপর নানা অজুহাত ও হুমকির সুরে দাবি করছে মোটা অঙ্কের চাঁদা। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল এবং জেলা বিএনপিসহ সার্বিক ভাবমূর্তি পরিকল্পিতভাবে ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মঈনুল হাসান সাদিক বলেন,"একটি চিহ্নিত প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে আমার নাম ভাঙিয়ে ব্যবসায়ী ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে। ইতিপূর্বেও আমি নিজে থানায় হাজির হয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান বা কার্যকর কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের এই নিস্ক্রিয়তার সুযোগেই চক্রটি আজ আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।"
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, কোনো অবস্থাতেই যেন কেউ এ ধরনের প্রতারক চক্রের ফাঁদে পা না দেন বা আর্থিক লেনদেন না করেন। অবিলম্বে এই সক্রিয় চাঁদাবাজ চক্রের কল রেকর্ড ট্র্যাকিং করে মূল হোতাদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন; অন্যথায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক: মোঃ আতিকুর রহমান আতিক বাবু, বার্তা সম্পাদক: শামসুর রহমান হৃদয়, বিজ্ঞাপন বিভাগ: রওশন সরকার, 01707-480805, সম্পাদকীয় কার্যালয়: হকার্স মার্কেট, ডিবি রোড, গাইবান্ধা। যোগাযোগ: 01713-739236
Copyright © 2025 গণ উত্তরণ. All Rights Reserved.