
রাজধানীর মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক সিনিয়র শিক্ষককে নিজের পায়ে ধরে সেজদা করতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষক সমাজ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধ ও সম্পত্তি সংক্রান্ত মতানৈক্যের জেরে ভুক্তভোগী শিক্ষকের সঙ্গে তার ছেলের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্ত ছেলে বাবাকে চরম অপমান ও মানসিক নির্যাতন করেন এবং জোরপূর্বক নিজের পায়ে সেজদা করতে বাধ্য করেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষক দীর্ঘ দিন ধরে মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে আসছেন। তিনি জানান, ছেলের এমন অমানবিক আচরণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
মিরপুর বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষকরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সহকর্মীরা জানান, শিক্ষকতা পেশার একজন সম্মানিত মানুষ নিজের সন্তানের কাছে এমন লাঞ্ছনার শিকার হওয়া পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য অত্যন্ত বেদনার ও লজ্জাজনক। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবগত হয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে কিংবা তদন্ত সাপেক্ষে দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার পর নৈতিক অবক্ষয় রোধে পারিবারিকভাবে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রবীণ বাবা-মায়ের সুরক্ষায় আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের দাবি তুলেছেন নেটিজেনরা। (অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে শিক্ষকের নাম প্রকাশ করা গেল না)
নিজস্ব প্রতিবেদক 
















