মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার বছরের প্রেমের পর বিয়ে, পরিবার না মানায় বিষপানে নববধূ মৃত,আশঙ্কাজনক বর হাসপাতালে নেই কোনো স্বজন

সব বাধা ডিঙিয়ে ভালোবেসে চার হাত এক হয়েছিল মাত্র দুদিন আগে। তবে নতুন সংসারের স্বপ্নপূরণের আগেই সামাজিক ও পারিবারিক অস্বীকৃতির ভার সইতে না পেরে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেন নবদম্পতি। বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে প্রেমিকা ও সদ্য বিবাহিত নববধূ তানিশা বেগমের মৃত্যু হয়েছে; মৃত্যুর সাথে লড়ছেন স্বামী মো. আলামিন।

​মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বা মরদেহ গ্রহণের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষেরই স্বজনদের দেখা মেলেনি।

​স্থানীয় সূত্র জানায়, সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কলেজ মোড় এলাকার আজাদুল ইসলামের ছেলে আলামিনের সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয় ও প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার তানিশা বেগমের। সম্পর্কের মাঝে আলামিন জানতে পারেন তানিশা আগে বিবাহিত ছিলেন এবং সিংড়া এলাকায় তার একটি সংসার ও তানহা নামের পাঁচ বছর বয়সী কন্যাসন্তান রয়েছে। অতীত জেনেও দীর্ঘ চার বছর প্রেমের সম্পর্কে অটুট থাকেন আলামিন।

​গত শনিবার (১২ অক্টোবর) পরিবারের অমতেই তারা বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের বিষয়টি উভয় পরিবারের কেউই মেনে নেয়নি। স্বজনদের তীব্র অসন্তোষ ও প্রত্যাখ্যানের মুখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এই দম্পতি। একপর্যায়ে তারা একসঙ্গে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।

​গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাদের গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তানিশা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আলামিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

জনপ্রিয়

চার বছরের প্রেমের পর বিয়ে, পরিবার না মানায় বিষপানে নববধূ মৃত,আশঙ্কাজনক বর হাসপাতালে নেই কোনো স্বজন

error: Content is protected !!

চার বছরের প্রেমের পর বিয়ে, পরিবার না মানায় বিষপানে নববধূ মৃত,আশঙ্কাজনক বর হাসপাতালে নেই কোনো স্বজন

প্রকাশের সময়: ০৬:৩৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সব বাধা ডিঙিয়ে ভালোবেসে চার হাত এক হয়েছিল মাত্র দুদিন আগে। তবে নতুন সংসারের স্বপ্নপূরণের আগেই সামাজিক ও পারিবারিক অস্বীকৃতির ভার সইতে না পেরে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেন নবদম্পতি। বিষাক্ত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে প্রেমিকা ও সদ্য বিবাহিত নববধূ তানিশা বেগমের মৃত্যু হয়েছে; মৃত্যুর সাথে লড়ছেন স্বামী মো. আলামিন।

​মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বা মরদেহ গ্রহণের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষেরই স্বজনদের দেখা মেলেনি।

​স্থানীয় সূত্র জানায়, সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া কলেজ মোড় এলাকার আজাদুল ইসলামের ছেলে আলামিনের সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয় ও প্রণয়ের সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার তানিশা বেগমের। সম্পর্কের মাঝে আলামিন জানতে পারেন তানিশা আগে বিবাহিত ছিলেন এবং সিংড়া এলাকায় তার একটি সংসার ও তানহা নামের পাঁচ বছর বয়সী কন্যাসন্তান রয়েছে। অতীত জেনেও দীর্ঘ চার বছর প্রেমের সম্পর্কে অটুট থাকেন আলামিন।

​গত শনিবার (১২ অক্টোবর) পরিবারের অমতেই তারা বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের বিষয়টি উভয় পরিবারের কেউই মেনে নেয়নি। স্বজনদের তীব্র অসন্তোষ ও প্রত্যাখ্যানের মুখে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এই দম্পতি। একপর্যায়ে তারা একসঙ্গে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।

​গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাদের গাইবান্ধা আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তানিশা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আলামিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে তিনি সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।