মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাস্তার পাশের জমি খুঁড়ে বালু লুট—শেষে প্রশাসনের ফাঁদে ধরা আলমগীর মিয়া চক্র

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বালুদস্যুদের অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে অবশেষে কঠোর ব্যবস্থা নিল প্রশাসন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ফলগাছা ধনীপাড়া এলাকায় আফাজ্জল হোসেনের রাস্তা সংলগ্ন জমি গোপনে খুঁড়ে বালু উত্তোলন করছিলেন আলমগীর মিয়া ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট।

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গেল রোববার দিবাগত  রাতে অভিযান চালান উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা চৌধুরী আল মাহমুদ।

অভিযানে হাতে–নাতে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত দুটি স্যালো মেশিন ও আটটি পাইপ জব্দ করা হয়—যা স্থানীয়ভাবে বালুদস্যু সিন্ডিকেটের বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অভিযান শেষে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা জানান, পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। নিয়মিত অভিযান চলবে এবং দোষীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

জনপ্রিয়

সাংবাদিকদের ওপর চড়াও বহিষ্কৃত বিডিআর সদস্য আলমগীর: ক্যামেরা ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে মব উসকে দেওয়ার অভিযোগ

error: Content is protected !!

রাস্তার পাশের জমি খুঁড়ে বালু লুট—শেষে প্রশাসনের ফাঁদে ধরা আলমগীর মিয়া চক্র

প্রকাশের সময়: ০৬:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বালুদস্যুদের অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে অবশেষে কঠোর ব্যবস্থা নিল প্রশাসন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের ফলগাছা ধনীপাড়া এলাকায় আফাজ্জল হোসেনের রাস্তা সংলগ্ন জমি গোপনে খুঁড়ে বালু উত্তোলন করছিলেন আলমগীর মিয়া ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেট।

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গেল রোববার দিবাগত  রাতে অভিযান চালান উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা চৌধুরী আল মাহমুদ।

অভিযানে হাতে–নাতে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত দুটি স্যালো মেশিন ও আটটি পাইপ জব্দ করা হয়—যা স্থানীয়ভাবে বালুদস্যু সিন্ডিকেটের বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অভিযান শেষে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা জানান, পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। নিয়মিত অভিযান চলবে এবং দোষীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।