বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় সেজে প্রতারণার অভিযোগে র‍্যাবের জালে আটক হয়েছিল প্রতারক হরিদাস! পর্ব-২

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ১১:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৫৩০ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী ক্ষমতার দাপট আর ভুয়া পরিচয়ের আড়ালে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংস্থাকে জিম্মি করে আসছিল এক ভয়ঙ্কর প্রতারক চক্র। অবশেষে শেষ রক্ষা হয়নি সেই প্রতারক হরিদাসের। সে সময় র‍্যাবের সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিল এই চক্রের মূল হোতা হরিদাস চন্দ্র ওরফে তাওহীদ এবং তার অন্যতম সহযোগী ইমরান মেহেদী।


​
​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এবং প্রাপ্ত দৃশ্যমান ভিডিও ফুটেজ থেকে জানা গেছে তৎকালীন সময়ে গ্রেফতারকৃত হরিদাস চন্দ্র ওরফে তাওহীদ নিজেকে কখনো প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় এবং প্রটোকল অফিসার, কখনো বৈমানিক কর্মকর্তা, আবার কখনো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিল। এই ভুয়া পরিচয়গুলো ব্যবহার করে সে বিভিন্ন স্থানে প্রভাব খাটিয়ে আসছিল এবং অবৈধ সুবিধা আদায়ের জন্য সুপারিশ করে আসছিল।

এই লুণ্ঠন ও প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তৎকালীন সময় হরিদাস চন্দ্র কে আটক করলেও আইনের ফাক ফোকর দিয়ে বেরিয়ে আবারো জড়িয়ে পরে নানা অপকর্মে এবং গড়ে তোলে অবৈধ টাকার সম্রাজ্য।

হরিদাসের এই বিশাল অঙ্কের টাকা লুণ্ঠনের পেছনে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে তদন্ত চলমান।প্রধানমন্ত্রীর ভুয়া প্রটোকল অফিসার হিসেবে তৈরি করা একটি ভুয়া সিল।

​বিভিন্ন দফতরে অবৈধ সুপারিশের জন্য ব্যবহৃত ভুয়া দলিল ও নথিপত্র এবং​প্রতারণার উদ্দেশ্যে তৈরি করা বেশ কিছু জাল ও ভুয়া ডকুমেন্ট। আসামিদের কাছ থেকে উদ্ধার করেছিল।

এই হরিদাস শুধু প্রতারনাই নয় প্রতিপক্ষ কিংবা তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে সরিয়ে দিতেও করত হত্য পরিকল্পনা।
এসবের সুত্র ধরেই বর্তমানে নিজ এলাকায় অবৈধ টাকার জোড়েই গুটি কয়েক সংবাদ কর্মিকে ব্যবহার করে কালো টাকা সাদা করার মিশনে নেমেছে এই প্রতারক হরিদাস।

(তৃতীয় পর্বে থাকছে আরো লোমহর্ষক কাহিনী)

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জে ড্রেজিং সিন্ডিকেট: ব্রহ্মপুত্র গিলে খাচ্ছে বালুখেকোরা, তদন্ত চান স্থানীয়রা

error: Content is protected !!

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় সেজে প্রতারণার অভিযোগে র‍্যাবের জালে আটক হয়েছিল প্রতারক হরিদাস! পর্ব-২

প্রকাশের সময়: ১১:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

আওয়ামী ক্ষমতার দাপট আর ভুয়া পরিচয়ের আড়ালে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংস্থাকে জিম্মি করে আসছিল এক ভয়ঙ্কর প্রতারক চক্র। অবশেষে শেষ রক্ষা হয়নি সেই প্রতারক হরিদাসের। সে সময় র‍্যাবের সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিল এই চক্রের মূল হোতা হরিদাস চন্দ্র ওরফে তাওহীদ এবং তার অন্যতম সহযোগী ইমরান মেহেদী।


​
​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এবং প্রাপ্ত দৃশ্যমান ভিডিও ফুটেজ থেকে জানা গেছে তৎকালীন সময়ে গ্রেফতারকৃত হরিদাস চন্দ্র ওরফে তাওহীদ নিজেকে কখনো প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় এবং প্রটোকল অফিসার, কখনো বৈমানিক কর্মকর্তা, আবার কখনো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিল। এই ভুয়া পরিচয়গুলো ব্যবহার করে সে বিভিন্ন স্থানে প্রভাব খাটিয়ে আসছিল এবং অবৈধ সুবিধা আদায়ের জন্য সুপারিশ করে আসছিল।

এই লুণ্ঠন ও প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসার পর নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তৎকালীন সময় হরিদাস চন্দ্র কে আটক করলেও আইনের ফাক ফোকর দিয়ে বেরিয়ে আবারো জড়িয়ে পরে নানা অপকর্মে এবং গড়ে তোলে অবৈধ টাকার সম্রাজ্য।

হরিদাসের এই বিশাল অঙ্কের টাকা লুণ্ঠনের পেছনে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে তদন্ত চলমান।প্রধানমন্ত্রীর ভুয়া প্রটোকল অফিসার হিসেবে তৈরি করা একটি ভুয়া সিল।

​বিভিন্ন দফতরে অবৈধ সুপারিশের জন্য ব্যবহৃত ভুয়া দলিল ও নথিপত্র এবং​প্রতারণার উদ্দেশ্যে তৈরি করা বেশ কিছু জাল ও ভুয়া ডকুমেন্ট। আসামিদের কাছ থেকে উদ্ধার করেছিল।

এই হরিদাস শুধু প্রতারনাই নয় প্রতিপক্ষ কিংবা তার বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে সরিয়ে দিতেও করত হত্য পরিকল্পনা।
এসবের সুত্র ধরেই বর্তমানে নিজ এলাকায় অবৈধ টাকার জোড়েই গুটি কয়েক সংবাদ কর্মিকে ব্যবহার করে কালো টাকা সাদা করার মিশনে নেমেছে এই প্রতারক হরিদাস।

(তৃতীয় পর্বে থাকছে আরো লোমহর্ষক কাহিনী)