সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঋণ পরিশোধে নিজের কিডনি বিক্রি করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৫:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩
  • ১০৯৮ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: ঋণ পরিশোধে নিজের কিডনি বিক্রি করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন হুজাইফা তুল ইয়ামানী (২৬) নামের যুবক।

নিজের আইডি থেকে কিডনি বিক্রি করতে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর সহ পোস্ট দেন হুজাইফা তুল ইয়ামানী নামের এই যুবক। তিনি সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, বছর দেড়েক আগে হুজাইফা তুল ইয়ামানী স্বজন ও এনজিওর কাছ থেকে ২ লাখ ৭১ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে গাইবান্ধা পুরাতন বাজারে মোবাইল ব্যাংকিং, মোবাইল রিচার্জ ও মুদি ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে মূলধন খুইয়ে তিনি দোকান বন্ধ রাখেন। এখন ঋণ পরিশোধ করতেই তিনি কিডনি বিক্রির পোস্ট দিয়েছেন।

এ বিষয়ে হুজাইফা তুল ইয়ামানী  বলেন, একদিকে মাথার ওপর ২ লাখ ৭১ হাজার টাকা ঋণের চাপ আবার অন্যদিকে স্ত্রী এবং দেড় মাস বয়সী সন্তানের ভরণ-পোষণ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছি। তাই বাধ্য হয়ে ফেসবুকে কিডনি বিক্রির পোস্ট করেছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মাহাবুর রহমান বাবু জানান বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবো। সত্যিই যদি ঋণগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে আমরা সহযোগিতা করবো।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা  বলেন, কিডনি বিক্রির বিষয়ে কোনো পোস্ট চোখে পড়েনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো

জনপ্রিয়

প্রকৌশলী সৌমিকের মৃত্যু: মাইশা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জড়ানোর চেষ্টা, ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডে উল্টো চিত্র

error: Content is protected !!

ঋণ পরিশোধে নিজের কিডনি বিক্রি করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট

প্রকাশের সময়: ০৫:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: ঋণ পরিশোধে নিজের কিডনি বিক্রি করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন হুজাইফা তুল ইয়ামানী (২৬) নামের যুবক।

নিজের আইডি থেকে কিডনি বিক্রি করতে যোগাযোগের মোবাইল নম্বর সহ পোস্ট দেন হুজাইফা তুল ইয়ামানী নামের এই যুবক। তিনি সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, বছর দেড়েক আগে হুজাইফা তুল ইয়ামানী স্বজন ও এনজিওর কাছ থেকে ২ লাখ ৭১ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে গাইবান্ধা পুরাতন বাজারে মোবাইল ব্যাংকিং, মোবাইল রিচার্জ ও মুদি ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে মূলধন খুইয়ে তিনি দোকান বন্ধ রাখেন। এখন ঋণ পরিশোধ করতেই তিনি কিডনি বিক্রির পোস্ট দিয়েছেন।

এ বিষয়ে হুজাইফা তুল ইয়ামানী  বলেন, একদিকে মাথার ওপর ২ লাখ ৭১ হাজার টাকা ঋণের চাপ আবার অন্যদিকে স্ত্রী এবং দেড় মাস বয়সী সন্তানের ভরণ-পোষণ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছি। তাই বাধ্য হয়ে ফেসবুকে কিডনি বিক্রির পোস্ট করেছি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মাহাবুর রহমান বাবু জানান বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবো। সত্যিই যদি ঋণগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে আমরা সহযোগিতা করবো।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা  বলেন, কিডনি বিক্রির বিষয়ে কোনো পোস্ট চোখে পড়েনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো