শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিভাইস জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি, গাইবান্ধায় মানববন্ধন

গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহারসহ নানা জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাইবান্ধা স্টেশন রোডস্থ বকুলতলা মোড়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ব্যানারে আজ দুপুরে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পরীক্ষার সময় বিভিন্ন কেন্দ্রে কথোপকথনের ডিভাইস ব্যবহার, প্রশ্ন ফাঁস এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলার কারণে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়নি। এতে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তারা আরও বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় আস্থাহীনতা তৈরি হবে। এজন্য অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিতর্কিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় ঢাকায় পরীক্ষা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় গাইবান্ধা জেলায় মোট ৫১ জন ডিভাইস ব্যবহারকারীকে আটক করা হয়েছিল; এদের মধ্যে নারী ১৭ জন এবং পুরুষ ৩৪ জন।

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জে ড্রেজিং সিন্ডিকেট: ব্রহ্মপুত্র গিলে খাচ্ছে বালুখেকোরা, তদন্ত চান স্থানীয়রা

error: Content is protected !!

ডিভাইস জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি, গাইবান্ধায় মানববন্ধন

প্রকাশের সময়: ০৫:২৮:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহারসহ নানা জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাইবান্ধা স্টেশন রোডস্থ বকুলতলা মোড়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সমাজের ব্যানারে আজ দুপুরে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পরীক্ষার সময় বিভিন্ন কেন্দ্রে কথোপকথনের ডিভাইস ব্যবহার, প্রশ্ন ফাঁস এবং দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলার কারণে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়নি। এতে প্রকৃত মেধাবীরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তারা আরও বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় আস্থাহীনতা তৈরি হবে। এজন্য অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিতর্কিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় ঢাকায় পরীক্ষা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় গাইবান্ধা জেলায় মোট ৫১ জন ডিভাইস ব্যবহারকারীকে আটক করা হয়েছিল; এদের মধ্যে নারী ১৭ জন এবং পুরুষ ৩৪ জন।