মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৪:২৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯
  • ৪৩২ বার পড়া হয়েছে

আক্লেপুর প্রতিনিধি :  গৃহবধু ধর্ষনের পর হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যু দন্ড দিয়েছে অদালত।  আজ  মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. এবিএম মাহমুদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।এদের মধ্যে ২ জনকে ৫ লাখ ও ৫ জনের ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দেওড়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা তিন সন্তানের জননী আরতি রানী মহন্তকে (৩৫) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত আরতি রানী মহন্ত দেওড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা উজ্জ্বল মহন্তের স্ত্রী। ঘটনার রাতে আরতি রানীর স্বামী উজ্জ্বল মহন্ত তাঁর বড় ছেলে উৎপল মহন্তকে নিয়ে চট্টগ্রামে ছিলেন। আরেক ছেলে গিয়েছিল পূজা দেখতে। আর আরতি মেয়ে অর্চনাকে (৮) নিয়ে ঘরে ছিলেন।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে দুর্বৃত্তরা পেছন দিককার দরজা দিয়ে আরতি রানীর ঘরে ঢোকে। প্রতিবেশী ও সম্পর্কে আরতির জা গৌরী রানী মহন্ত ঘটনা আঁচ করতে পেরে আরতির ঘরের সামনে এসে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কারও সারা না পেয়ে তিনি ঘরের পেছনের দিকে যান। সেখানে গিয়ে পেছনের দরজাটি খোলা ও সেখানে হাতের শাঁখা ভেঙে পড়ে থাকতে দেখেন। তখন তাঁর চিৎকারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা ছুটে আসেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়িটি থেকে প্রায় ২০০ গত দূরে একটি ধানখেতে জমে থাকা পানির মধ্যে আরতির লাশ পাওয়া যায়। বিবস্ত্র লাশটি ধানগাছ দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায়।

জনপ্রিয়

নতুন বেতনস্কেলে চমক: ওপরের ধাপে দ্বিগুণ, নিচে বাড়ল ১৪২% পর্যন্ত

error: Content is protected !!

ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময়: ০৪:২৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯

আক্লেপুর প্রতিনিধি :  গৃহবধু ধর্ষনের পর হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যু দন্ড দিয়েছে অদালত।  আজ  মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড. এবিএম মাহমুদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।এদের মধ্যে ২ জনকে ৫ লাখ ও ৫ জনের ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দেওড়া গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা তিন সন্তানের জননী আরতি রানী মহন্তকে (৩৫) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত আরতি রানী মহন্ত দেওড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা উজ্জ্বল মহন্তের স্ত্রী। ঘটনার রাতে আরতি রানীর স্বামী উজ্জ্বল মহন্ত তাঁর বড় ছেলে উৎপল মহন্তকে নিয়ে চট্টগ্রামে ছিলেন। আরেক ছেলে গিয়েছিল পূজা দেখতে। আর আরতি মেয়ে অর্চনাকে (৮) নিয়ে ঘরে ছিলেন।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে দুর্বৃত্তরা পেছন দিককার দরজা দিয়ে আরতি রানীর ঘরে ঢোকে। প্রতিবেশী ও সম্পর্কে আরতির জা গৌরী রানী মহন্ত ঘটনা আঁচ করতে পেরে আরতির ঘরের সামনে এসে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কারও সারা না পেয়ে তিনি ঘরের পেছনের দিকে যান। সেখানে গিয়ে পেছনের দরজাটি খোলা ও সেখানে হাতের শাঁখা ভেঙে পড়ে থাকতে দেখেন। তখন তাঁর চিৎকারে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা ছুটে আসেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়িটি থেকে প্রায় ২০০ গত দূরে একটি ধানখেতে জমে থাকা পানির মধ্যে আরতির লাশ পাওয়া যায়। বিবস্ত্র লাশটি ধানগাছ দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায়।