শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আখাউড়ায় ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৪:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

আখাউড়া প্রতিনিধি : আখাউড়ায় মোগড়া হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আশরাফুল আলম হিরণ নামের এক শিক্ষককে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া নারীশিশু ট্রাইবুনাল কোর্ট এ আদেশ দেন। এর আগে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে আশরাফুল আলম হিরণ জামিন আবেদন করেন। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। অভিযুক্ত আশরাফুল আলম হিরণ আখাউড়া মনিয়ন্দ ইউনিয়নের টনকী গ্রামে মৃত ওয়ালী আহাম্মদ ভূইয়ার ছেলে এবং মোগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মোগড়া হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী দিয়া আক্তার (ছদ্মনাম)। গত ২ জুলাই সকাল ১০ টায় অন্যদের সাথে মোগড়া হাই স্কুলের শিক্ষক আশরাফুল আলম হিরনের বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায় সে। প্রাইভেট শেষে আশরাফুল আলম হিরন মাষ্টার তাকে কৌশলে অন্য একটি রুমে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। লোক লজ্জার ভয়ে প্রথমে কাউকে কিছু বলেনি দিয়া। পরে বাসায় এসে ঘটনাটি তার মা আয়েশাকে জানায়। মা আয়েশা মেয়ের মুখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের আলামত দেখে এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের তা জানায়। পরে স্কুল কমিটি ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়।

এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আখাউড়া থানায় একটি মামলা করেন। আখাউড়া থানায় মামলা নং ৭/৭ ২০২০। মামলার পর থেকে আশরাফুল আলম ইরন মাষ্টার পলাতক থাকাকালীন অবস্থায় ঢাকা হাইকোর্ট থেকে ২২ দিনের জামিন নেন।

জেল হাজতে প্রেরণ সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল বাশার। ছাত্রীর মা বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের জানান, ধর্ষণ মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া নারীশিশু ট্রাইবুনালের বিচারক ধর্ষক আশরাফুল আলম হিরণকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জনপ্রিয়

পলাশবাড়ীতে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে জোরপূর্বক বাল্যবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা: স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

error: Content is protected !!

আখাউড়ায় ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

প্রকাশের সময়: ০৪:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০

আখাউড়া প্রতিনিধি : আখাউড়ায় মোগড়া হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় আশরাফুল আলম হিরণ নামের এক শিক্ষককে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া নারীশিশু ট্রাইবুনাল কোর্ট এ আদেশ দেন। এর আগে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে আশরাফুল আলম হিরণ জামিন আবেদন করেন। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। অভিযুক্ত আশরাফুল আলম হিরণ আখাউড়া মনিয়ন্দ ইউনিয়নের টনকী গ্রামে মৃত ওয়ালী আহাম্মদ ভূইয়ার ছেলে এবং মোগড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মোগড়া হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী দিয়া আক্তার (ছদ্মনাম)। গত ২ জুলাই সকাল ১০ টায় অন্যদের সাথে মোগড়া হাই স্কুলের শিক্ষক আশরাফুল আলম হিরনের বাসায় প্রাইভেট পড়তে যায় সে। প্রাইভেট শেষে আশরাফুল আলম হিরন মাষ্টার তাকে কৌশলে অন্য একটি রুমে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। লোক লজ্জার ভয়ে প্রথমে কাউকে কিছু বলেনি দিয়া। পরে বাসায় এসে ঘটনাটি তার মা আয়েশাকে জানায়। মা আয়েশা মেয়ের মুখে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের আলামত দেখে এলাকার কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিদের তা জানায়। পরে স্কুল কমিটি ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়।

এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আখাউড়া থানায় একটি মামলা করেন। আখাউড়া থানায় মামলা নং ৭/৭ ২০২০। মামলার পর থেকে আশরাফুল আলম ইরন মাষ্টার পলাতক থাকাকালীন অবস্থায় ঢাকা হাইকোর্ট থেকে ২২ দিনের জামিন নেন।

জেল হাজতে প্রেরণ সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল বাশার। ছাত্রীর মা বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের জানান, ধর্ষণ মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া নারীশিশু ট্রাইবুনালের বিচারক ধর্ষক আশরাফুল আলম হিরণকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।