বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৪:০২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

 ১৪ নভেম্বর, গাইবান্ধা সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ এর আওতায় এ্যালেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর মহাসড়ক (ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক) চার লেনে উন্নীত করতে গোবিন্দগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ জন মৎস্য চাষীকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষী গোবিন্দগঞ্জের দরবস্ত ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মাহমুদুন্নবী মণ্ডল, গোপীনাথপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ ও আয়ুফ মিয়া। লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, উক্ত ৩জন মৎস্যচাষী দুর্গাপুর, সিংজানি ও গোপীনাথপুর মৌর্জায় ৯টি পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি জেলা মৎস্য কর্মকর্তার গত ৯ সেপ্টেম্বরের স্মারকপত্র ৩৩.০৩.৩২০০.৪০০. ৩৪.০০২.১৭-৫৭৫ অনুযায়ী লিজ নেয়া পুকুরের মৎস্য চাষী হিসেবে ও মৎস্য চাষ পুনর্বাসনের ক্ষতিপূরণ বাবদ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। কিন্তু লিজ বা ভাড়া পুকুর এর ক্ষতি পূরণ দেবে না মর্মে গাইবান্ধা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখা গড়িমসি করে আসছে।

পুকুর মালিকদের নোটিশ প্রদান করা হলেও লিজ গ্রহীতা মৎস্যচাষীদের ভূমি অধিগ্রহণে কোন নোটিশ প্রদান করা হয়নি। অথচ স্থাবর সম্পত্তি ভূমি অধিগ্রহন ও হুকুম দখল আইন ২০১৭ এর বিধান অনুযায়ী ভূমি মালিকদের পাশাপাশি লিজ গ্রহীতা মৎস্য চাষীদেরও নোটিশ প্রদানসহ ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

তারা এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রী, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর এর প্রধান প্রকল্প ব্যবস্থাপক বরাবরে আবেদন করা হয়েছে।

গত ১ অক্টোবর বিভাগীয় কমিশনার উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের নিকট নির্দেশক্রমে অনুরোধ করলেও এব্যাপারে ভূমি লিজ গ্রহীতা মৎস্য চাষী মাহমুদুন্নবী মন্ডলসহ তিনজনের নাম ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় অন্তর্ভূক্ত না করেই ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ফলে তাদের মৎস্য চাষের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদেরকে চরম দুর্ভোগ এবং মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুন্নবী মন্ডল সহ ৩ মৎস্য চাষীর পুনর্বাসন ও ক্ষতির অতিরিক্ত ২শ’ ভাগ প্রদানের জন্য রংপুর বিভাগীয় কমিশনারসহ গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়।

জনপ্রিয়

নতুন বেতনস্কেলে চমক: ওপরের ধাপে দ্বিগুণ, নিচে বাড়ল ১৪২% পর্যন্ত

error: Content is protected !!

গোবিন্দগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি

প্রকাশের সময়: ০৪:০২:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯

 ১৪ নভেম্বর, গাইবান্ধা সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ এর আওতায় এ্যালেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর মহাসড়ক (ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক) চার লেনে উন্নীত করতে গোবিন্দগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ জন মৎস্য চাষীকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষী গোবিন্দগঞ্জের দরবস্ত ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মাহমুদুন্নবী মণ্ডল, গোপীনাথপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ ও আয়ুফ মিয়া। লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, উক্ত ৩জন মৎস্যচাষী দুর্গাপুর, সিংজানি ও গোপীনাথপুর মৌর্জায় ৯টি পুকুর লিজ নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি জেলা মৎস্য কর্মকর্তার গত ৯ সেপ্টেম্বরের স্মারকপত্র ৩৩.০৩.৩২০০.৪০০. ৩৪.০০২.১৭-৫৭৫ অনুযায়ী লিজ নেয়া পুকুরের মৎস্য চাষী হিসেবে ও মৎস্য চাষ পুনর্বাসনের ক্ষতিপূরণ বাবদ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। কিন্তু লিজ বা ভাড়া পুকুর এর ক্ষতি পূরণ দেবে না মর্মে গাইবান্ধা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখা গড়িমসি করে আসছে।

পুকুর মালিকদের নোটিশ প্রদান করা হলেও লিজ গ্রহীতা মৎস্যচাষীদের ভূমি অধিগ্রহণে কোন নোটিশ প্রদান করা হয়নি। অথচ স্থাবর সম্পত্তি ভূমি অধিগ্রহন ও হুকুম দখল আইন ২০১৭ এর বিধান অনুযায়ী ভূমি মালিকদের পাশাপাশি লিজ গ্রহীতা মৎস্য চাষীদেরও নোটিশ প্রদানসহ ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

তারা এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রী, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর এর প্রধান প্রকল্প ব্যবস্থাপক বরাবরে আবেদন করা হয়েছে।

গত ১ অক্টোবর বিভাগীয় কমিশনার উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের নিকট নির্দেশক্রমে অনুরোধ করলেও এব্যাপারে ভূমি লিজ গ্রহীতা মৎস্য চাষী মাহমুদুন্নবী মন্ডলসহ তিনজনের নাম ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় অন্তর্ভূক্ত না করেই ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। ফলে তাদের মৎস্য চাষের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদেরকে চরম দুর্ভোগ এবং মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুন্নবী মন্ডল সহ ৩ মৎস্য চাষীর পুনর্বাসন ও ক্ষতির অতিরিক্ত ২শ’ ভাগ প্রদানের জন্য রংপুর বিভাগীয় কমিশনারসহ গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়।