শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষকরা বোরো চাষে ব্যস্ত

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৬:৫০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০
  • ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের দারিয়াপুরে শুরু হয়েছে বোরো চাষাবাদ। জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। চাষিরা জানায়, শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকমতো থাকলে সুষ্ঠুভাবে ফসল ঘরে তুলতে পারবেন। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে মাঠে চলছে পানি সেচ, জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনের ব্যস্ততা। সদর উপজেলার কৃষক সন্তোষ বর্মন জানান, দেড় বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করছি। গভীর নলকুপ দিয়ে আমাদের চাষাবাদ করতে হয়। সবাই একসাথে জমি তৈরী করতে নলকুপের উপর কিছুটা চাপ পড়ছে।


কৃষক আব্দুর সাত্তার জানান, জমি চাষ ও রোপন, পানি সেচ এবং কাটা-মাড়াইসহ প্রায় ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা বিঘা প্রতি খরচ হয়ে থাকে। বিঘা প্রতি ফলন হয় ২৫-৩০ মন। বর্তমান বাজারে ধানের দাম সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা করে। যাদের নিজস্ব জমি তাদের কিছু থাকে। কিন্তু যারা বর্গাচাষী তাদের কিছুই থাকেনা। এতে করে প্রতিবছর আমাদের লোকসান গুনতে হয়। সরকার যদি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনে তাহলে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে। উপজেলায় চলতি মৌসুমে চাষিদের মধ্যে বোরো চাষের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শীতের প্রকোপ কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে সদর উপজেলায় এবার ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৫শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের উৎপাদন বেশি হচ্ছে।

আদালতের নথি গায়েব ও আদেশে কাটাকাটি: বড়দের ‘শিশু’ সাজিয়ে জামিন, আইনজীবী ও পুলিশ সদস্যসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

error: Content is protected !!

কৃষকরা বোরো চাষে ব্যস্ত

প্রকাশের সময়: ০৬:৫০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০

গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের দারিয়াপুরে শুরু হয়েছে বোরো চাষাবাদ। জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। চাষিরা জানায়, শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকমতো থাকলে সুষ্ঠুভাবে ফসল ঘরে তুলতে পারবেন। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে মাঠে চলছে পানি সেচ, জমি প্রস্তুত ও চারা রোপনের ব্যস্ততা। সদর উপজেলার কৃষক সন্তোষ বর্মন জানান, দেড় বিঘা জমিতে বোরো ধান চাষ করছি। গভীর নলকুপ দিয়ে আমাদের চাষাবাদ করতে হয়। সবাই একসাথে জমি তৈরী করতে নলকুপের উপর কিছুটা চাপ পড়ছে।


কৃষক আব্দুর সাত্তার জানান, জমি চাষ ও রোপন, পানি সেচ এবং কাটা-মাড়াইসহ প্রায় ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা বিঘা প্রতি খরচ হয়ে থাকে। বিঘা প্রতি ফলন হয় ২৫-৩০ মন। বর্তমান বাজারে ধানের দাম সর্বোচ্চ ৪৫০ টাকা করে। যাদের নিজস্ব জমি তাদের কিছু থাকে। কিন্তু যারা বর্গাচাষী তাদের কিছুই থাকেনা। এতে করে প্রতিবছর আমাদের লোকসান গুনতে হয়। সরকার যদি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনে তাহলে ন্যায্য দাম পাওয়া যাবে। উপজেলায় চলতি মৌসুমে চাষিদের মধ্যে বোরো চাষের ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। শীতের প্রকোপ কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে সদর উপজেলায় এবার ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৫শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের উৎপাদন বেশি হচ্ছে।