শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

 নদী থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৯:০৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০
  • ৪৫৫ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের খামার চান্দেরভিটা এলাকায় জেলা শহর সংলগ্ন আলাই নদী থেকে মঙ্গলবার সকালে ভাসমান অবস্থায় আব্দুল জলিল (৫৬) নামে কৃষকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ওই ইউনিয়নের কয়া ছয়ঘড়িয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে।

এলাকাবাসি জানান, লাশটি আলাই নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মৃতের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, গত ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গাইবান্ধা শহরের উপকণ্ঠে উত্তর ফলিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ওয়াজ মাহফিল শোনার কথা বলে আব্দুল জলিল বাড়ি থেকে বের হয়ে যান।

এরপর অনেক খোঁজাখুজি করে তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে তার ছেলে রিপন মিয়া গত সোমবার (২৭ জানুয়ারি) গাইবান্ধা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন। গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে না দুর্ঘটনা জনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

জনপ্রিয়

গুদাম থেকে দোকানে পৌঁছানোর আগেই হাতবদল: ফুলছড়ির চরে সারের ‘কালোবাজারি’ সিন্ডিকেট

error: Content is protected !!

 নদী থেকে কৃষকের লাশ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৯:০৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০

গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের খামার চান্দেরভিটা এলাকায় জেলা শহর সংলগ্ন আলাই নদী থেকে মঙ্গলবার সকালে ভাসমান অবস্থায় আব্দুল জলিল (৫৬) নামে কৃষকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ওই ইউনিয়নের কয়া ছয়ঘড়িয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে।

এলাকাবাসি জানান, লাশটি আলাই নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে সদর থানায় বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মৃতের পরিবার সুত্রে জানা গেছে, গত ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গাইবান্ধা শহরের উপকণ্ঠে উত্তর ফলিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ওয়াজ মাহফিল শোনার কথা বলে আব্দুল জলিল বাড়ি থেকে বের হয়ে যান।

এরপর অনেক খোঁজাখুজি করে তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে তার ছেলে রিপন মিয়া গত সোমবার (২৭ জানুয়ারি) গাইবান্ধা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন। গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে না দুর্ঘটনা জনিত কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।