শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের অবস্থান কর্মসুচি

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ১২:২৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পরিচয় পত্র পরিসেবা স্বাধীন নির্বাচন কমিশন হতে সংবিধিবদ্ধ নতুন কমিশনে স্থানান্তরের কূট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে গাইবান্ধায়।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের আয়োজনে আজ সকাল ১১ টা হতে দুপুর ১ টা পর্যন্ত এ কর্মসুচি পালিত হয়।

কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবেই নির্বাচন অফিস গাইবান্ধা কার্যালয়ের সামনে দাড়িয়েই এই কর্মসুচি পালন করেন তারা।

কর্মসুচি চলাকালে গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন ভোটার তালিকা এবং জাতীয় পরিচয় পত্র একে অপরের পরিপুরক তাই এই জাতীয় পরিচয় পত্র যদি অন্য স্থানে করা হয় তবে নির্বাচনের সময় এটি প্রশ্ন বিদ্ধ হবে। আইডিয়া -২ প্রকল্পের আওতায় ২০০৭ সাল থেকে জাতীয় পরিচয় পত্রের কাজ এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু করা হলেও ২০২১ সালে একবার আউট সোর্সিং এ স্থানান্তর করা হলে এই প্রকল্পের, ২ হাজার ২ শত ৩১ জন কর্মি অনেকটা কর্মহীন হয়ে পড়ে এবং চাকরির অনিশ্চয়তা হীনতায় পড়ে। তাই তারা বলেন তাদের দাবি দাওয়া মেনে নিলে নতুন করে জনবল নেয়ার প্রযোজন পরবে না পাশাপাশি নির্বাচন সহ জাতীয পরিচয় পত্র সংশ্লিষ্ঠ কার্যক্রমে কোন জটিলতা থাকবে না।
এসময আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাইফুল ইসলাম সহ জেলা এবং সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিরা।

কর্মসুচি চলাকালে শতশত সেবা গ্রহিতা কোন সেবা না পেয়ে আক্ষেপ করে ফিরে যান।

জনপ্রিয়

স্বপ্ন সুপারশপের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা: প্রভাবশালী মহলের দৌড়ঝাঁপ, সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবের অপচেষ্টা

error: Content is protected !!

নির্বাচন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের অবস্থান কর্মসুচি

প্রকাশের সময়: ১২:২৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫

জাতীয় পরিচয় পত্র পরিসেবা স্বাধীন নির্বাচন কমিশন হতে সংবিধিবদ্ধ নতুন কমিশনে স্থানান্তরের কূট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে গাইবান্ধায়।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের আয়োজনে আজ সকাল ১১ টা হতে দুপুর ১ টা পর্যন্ত এ কর্মসুচি পালিত হয়।

কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবেই নির্বাচন অফিস গাইবান্ধা কার্যালয়ের সামনে দাড়িয়েই এই কর্মসুচি পালন করেন তারা।

কর্মসুচি চলাকালে গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন ভোটার তালিকা এবং জাতীয় পরিচয় পত্র একে অপরের পরিপুরক তাই এই জাতীয় পরিচয় পত্র যদি অন্য স্থানে করা হয় তবে নির্বাচনের সময় এটি প্রশ্ন বিদ্ধ হবে। আইডিয়া -২ প্রকল্পের আওতায় ২০০৭ সাল থেকে জাতীয় পরিচয় পত্রের কাজ এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু করা হলেও ২০২১ সালে একবার আউট সোর্সিং এ স্থানান্তর করা হলে এই প্রকল্পের, ২ হাজার ২ শত ৩১ জন কর্মি অনেকটা কর্মহীন হয়ে পড়ে এবং চাকরির অনিশ্চয়তা হীনতায় পড়ে। তাই তারা বলেন তাদের দাবি দাওয়া মেনে নিলে নতুন করে জনবল নেয়ার প্রযোজন পরবে না পাশাপাশি নির্বাচন সহ জাতীয পরিচয় পত্র সংশ্লিষ্ঠ কার্যক্রমে কোন জটিলতা থাকবে না।
এসময আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাইফুল ইসলাম সহ জেলা এবং সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিরা।

কর্মসুচি চলাকালে শতশত সেবা গ্রহিতা কোন সেবা না পেয়ে আক্ষেপ করে ফিরে যান।