শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে এখনও স্বৈর শ্বাসকের নেতার ছবি! অধ্যক্ষ রহিজ উদ্দিনের রহস্যজনক নীরবতা

বিশেষ প্রতিনিধি : গাইবান্ধা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সরকারি ওয়েবসাইটে এখনো শোভা পাচ্ছে স্বৈরশ্বাসকের সময়কার সাবেক এমপি শাহ সারোয়ার কবিরের ছবি।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে অর্ন্তবর্তিকালীন সরকারের আমলেও কেন এই স্বৈরাচারী শাষকের নেতার ছবি বহাল রয়েছে, তা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

বিশেষ করে, এই অনিয়মের জন্য প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রহিজ উদ্দিনকে দায়ী করছেন অনেকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ মহলকে তুষ্ট করে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করছেন এবং ওয়েবসাইট আপডেটের মতো সাধারণ একটি কাজও ইচ্ছাকৃতভাবে ফেলে রেখেছেন।

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে, অধ্যক্ষ রহিজ উদ্দিন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি, বরং মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, যেখানে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর জোর দিচ্ছে, সেখানে এই ধরনের গাফিলতি ক্ষমার অযোগ্য।

সাংবাদিকরা দাবি করেছেন, এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ওয়েবসাইট থেকে স্বৈরাচারী শাসনের প্রতিচ্ছবি মুছে ফেলা হোক।

এ বিষয়ে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে, এটি নিয়ে বড় আন্দোলনের সূত্রপাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গাইবান্ধার সচেতন নাগরিকরা আশা করছেন, অবিলম্বে ওয়েবসাইট আপডেট করে জনগণের দাবির প্রতি সম্মান জানানো হবে।

জনপ্রিয়

বাদিয়াখালীতে রেশনের চাল হরিলুট: গরিব বঞ্চিত, আঙুল ফুলে কলাগাছ অসাধু চক্র!

error: Content is protected !!

কারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্রের ওয়েবসাইটে এখনও স্বৈর শ্বাসকের নেতার ছবি! অধ্যক্ষ রহিজ উদ্দিনের রহস্যজনক নীরবতা

প্রকাশের সময়: ০৯:২৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি : গাইবান্ধা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সরকারি ওয়েবসাইটে এখনো শোভা পাচ্ছে স্বৈরশ্বাসকের সময়কার সাবেক এমপি শাহ সারোয়ার কবিরের ছবি।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে অর্ন্তবর্তিকালীন সরকারের আমলেও কেন এই স্বৈরাচারী শাষকের নেতার ছবি বহাল রয়েছে, তা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

বিশেষ করে, এই অনিয়মের জন্য প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রহিজ উদ্দিনকে দায়ী করছেন অনেকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ মহলকে তুষ্ট করে নিজের অবস্থান শক্তিশালী করছেন এবং ওয়েবসাইট আপডেটের মতো সাধারণ একটি কাজও ইচ্ছাকৃতভাবে ফেলে রেখেছেন।

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে, অধ্যক্ষ রহিজ উদ্দিন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি, বরং মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক ও সচেতন নাগরিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, যেখানে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর জোর দিচ্ছে, সেখানে এই ধরনের গাফিলতি ক্ষমার অযোগ্য।

সাংবাদিকরা দাবি করেছেন, এই অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং ওয়েবসাইট থেকে স্বৈরাচারী শাসনের প্রতিচ্ছবি মুছে ফেলা হোক।

এ বিষয়ে এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে, এটি নিয়ে বড় আন্দোলনের সূত্রপাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গাইবান্ধার সচেতন নাগরিকরা আশা করছেন, অবিলম্বে ওয়েবসাইট আপডেট করে জনগণের দাবির প্রতি সম্মান জানানো হবে।