সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মসজিদে রাজনীতি নিয়ে  দুই পক্ষের তাণ্ডব থামাতে  গুরুতর আহত ওসি 

মসজিদে রাজনৈতিক আলোচনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মিরপুরে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে চরম উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গিয়ে উত্তেজিত জনতার তোপের মুখে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছেন।

​প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদে রাজনৈতিক বক্তব্য ও আলোচনা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে একই সময়ে ও একই স্থানে উভয় পক্ষ পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয়। এতে এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং উভয় পক্ষের সমর্থকেরা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। খবর পেয়ে সংঘাত এড়াতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

​উভয় পক্ষের মধ্যকার চরম উত্তেজনা থামাতে গিয়ে একপর্যায়ে পুলিশ তোপের মুখে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টাকালে ওসি শহিদুল ইসলামের ওপর আঘাত আসে। এতে তাঁর হাত মারাত্মকভাবে জখম হয়। এ সময় ধস্তাধস্তিতে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও হাতঘড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়। পরে পুলিশ সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

​এ ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

​এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

জনপ্রিয়

চিকিৎসাসেবায় গাইবান্ধাবাসীর পাশে অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক: প্রাইম হাসপাতালে শুরু হলো চেম্বার

error: Content is protected !!

মসজিদে রাজনীতি নিয়ে  দুই পক্ষের তাণ্ডব থামাতে  গুরুতর আহত ওসি 

প্রকাশের সময়: ০২:৪৩:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

মসজিদে রাজনৈতিক আলোচনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মিরপুরে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি প্রতিবাদ সমাবেশ ঘিরে চরম উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গিয়ে উত্তেজিত জনতার তোপের মুখে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছেন।

​প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মসজিদে রাজনৈতিক বক্তব্য ও আলোচনা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে একই সময়ে ও একই স্থানে উভয় পক্ষ পৃথক প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয়। এতে এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং উভয় পক্ষের সমর্থকেরা মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। খবর পেয়ে সংঘাত এড়াতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

​উভয় পক্ষের মধ্যকার চরম উত্তেজনা থামাতে গিয়ে একপর্যায়ে পুলিশ তোপের মুখে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টাকালে ওসি শহিদুল ইসলামের ওপর আঘাত আসে। এতে তাঁর হাত মারাত্মকভাবে জখম হয়। এ সময় ধস্তাধস্তিতে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও হাতঘড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়। পরে পুলিশ সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

​এ ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

​এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।