
সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, প্রেস ক্লাবের নাম ও লোগো অপব্যবহার করে বিভিন্ন দপ্তরে অনৈতিক কার্যকলাপ চালানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গাইবান্ধা জেলা প্রেস ক্লাবের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন—গাইবান্ধা জেলা প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আমজাদ হোসেন এবং ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী।
রোববার গাইবান্ধা জেলা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এই দুই নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে গিয়ে প্রেস ক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ আসছিল। বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছিল।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “বহিষ্কৃত দুজনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ আসছিল। তারা বিভিন্ন দপ্তরে এবং সদ্য প্রাপ্ত সারের ডিলারদের নিকট গিয়ে কখনো জেলা প্রেস ক্লাবের নাম ভাঙিয়ে, আবার কখনো প্রেস ক্লাবের লোগোযুক্ত গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় অনৈতিক আচরণ করতেন। সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে তাই কার্যকরী কমিটির সদস্যদের সাথে আলোচনা করেই আমি এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বহিষ্কৃত এই দুই ব্যক্তির ব্যক্তিগত কোনো কর্মকাণ্ড, অনৈতিক কার্যকলাপ কিংবা গাইবান্ধা জেলা প্রেস ক্লাবের নাম, লোগো ও সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করে কোনো ধরনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের দায়ভার কোনোভাবেই সংগঠন বহন করবে না।

অনুসন্ধানে আরো জানাযায় গত কয়েকদিন আগে গাইবান্ধার বালাসীঘাট এলাকায় নৌকার ভিতর স্কুল শিক্ষার্থী এবং ছাত্রের অনৈতিক কর্মকান্ডের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ছাত্রীর ব্যবহৃত হাত ঘড়ি সহ দামী জিনিস পত্র ছিনিযে নেয়ার মত গুরুত্বর অভিযোগ রয়েছে বহিস্কৃত ইসমাইল হোসেন সিরাজির বিরুদ্ধে।
সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, বহিষ্কৃত ব্যক্তিদ্বয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক লেনদেন বা কার্যকলাপে না জড়ানোর জন্য সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। তাদের কোনো অপকর্মের দায়দায়িত্ব জেলা প্রেস ক্লাব নেবে না।
নিজস্ব প্রতিবেদক 














