প্রকাশের সময়:
০২:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
১৭৬
বার পড়া হয়েছে
ন্যায্য দাবি আদায় ও বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগে গাইবান্ধা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবী-২০২৬ ব্যাচের উদ্যোগে একটি মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন নবীন আইনজীবীরা।
তবে কর্মসূচি চলাকালে পিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজানের বিরুদ্ধে নারী আইনজীবীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হুমকির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বক্তারা।
গাইবান্ধা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন চত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী আইনজীবীরা বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে তাদের বঞ্চনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, আদালতের নিয়ম অনুযায়ী নবাগত আইনজীবীদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নিয়ম বিগত সময় থেকেই প্রচলিত থাকলেও বর্তমান সময়ে এসে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারা জানান, প্রায় ৮ মাস পূর্বে তারা গাইবান্ধা বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হয়েছেন। কিন্তু বর্তমান এডহক কমিটি কর্তৃক নতুন গঠনতন্ত্র তৈরি করে তাদের সাথে চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। পূর্বের ২০২৪ ব্যাচসহ অন্যান্য পূর্ববর্তী আইনজীবীরা বার অ্যাসোসিয়েশন থেকে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেতেন, তা থেকে ২৬ ব্যাচের আইনজীবীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।
বক্তারা আরও জানান, এই বৈষম্যের বিষয়ে ইতিপূর্বে ৪ বার লিখিতভাবে বার অ্যাসোসিয়েশনকে অবগত করা হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছিলেন।
সে সময় বর্তমান এডহক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট এ.এইচ.এম গোলাম শহীদ রঞ্জু এসে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সান্ত্বনা দিলেও, হঠাৎ করে বর্তমান পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান সেখানে উপস্থিত হন। বক্তাদের অভিযোগ, পিপি মিজানুর রহমান তাদের এক নারী আইনজীবীর সাথে অত্যন্ত অশ্লীল ও অসৌজন্যমূলক কথাবার্তা বলেন, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। তিনি নারী আইনজীবীকে মারধর এবং আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন এবং তাদের জনসম্মুখে হেয় প্রতিপন্ন করেন।
নবীন আইনজীবীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা উড়ে এসে জুড়ে বসা কেউ নন। তাদের সাথে এমন অপেশাদার ও অগ্রহণযোগ্য আচরণের জন্য প্রকাশ্যে জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায়, আইনজীবী ব্যাচ-২০২৬ আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবে বলে আল্টিমেটাম দিয়েছেন।
অপর দিকে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজানের সাথে কথা বললে তিনি অসৌজন্যমুলক আচরনের কথা অস্বীকার করেন। সেই সাথে তিনি আরো জানান বার ভবনের মুল ফটকের সামনে যেখানে ওকালত নামা সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি বিক্রি হয় সেটি বন্ধ করে তারা আন্দোলন করছিল তাই আমি সেখান থেকে সরে যেতে বলেছি এর বেশি কিছু না।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এ্যাড, ম সাজু মিয়া, এ্যাড. আনিছুর রহমান আনিছ, এ্যাড.মেহেরুন নেছা কনক,এ্যাড. নয়ন তারা, এ্যাড,সাহেম আলম, এ্যাড, দৃষ্টি সহ ২০২৬ এর ব্যাচের অন্যান্ন আইনজীবী গন।