সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিস্তির সুযোগে অনৈতিক প্রস্তাব: গাইবান্ধায় গাক কর্মী জনতার হাতে আটক, উদ্ধার করল পুলিশ

ঋণের কিস্তি আদায়ের আড়ালে এক নারী সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে গাইবান্ধায় গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)-এর এক মাঠকর্মীকে হাতেনাতে আটক করেছে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ওই কর্মীকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এনজিওর নিয়মিত কিস্তি আদায়ের সুবাদে ওই এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল অভিযুক্ত কর্মীর। অভিযোগ উঠেছে, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি এক নারী ঋণগ্রহীতাকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

​পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জনতার কবল থেকে ওই কর্মীকে উদ্ধার করে নিরাপদে থানায় নিয়ে যায়।

​এলাকাবাসীর দাবি, ক্ষুদ্রঋণের মতো সংবেদনশীল ও সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত মাঠকর্মীদের এমন আচরণ পুরো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। এতে মাঠপর্যায়ে অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মীদের প্রতিও সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়। এ ঘটনায় এনজিও কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ নজরদারি বাড়ানোর দাবি তুলেছেন তারা।

​এ বিষয়ে স্থানীয়রা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

চাকরির টোপ ফেলে সর্বস্বান্ত করার মিশন! সাখাওয়াত চক্রের ৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রকাশ্যে খুনের হুমকি

error: Content is protected !!

কিস্তির সুযোগে অনৈতিক প্রস্তাব: গাইবান্ধায় গাক কর্মী জনতার হাতে আটক, উদ্ধার করল পুলিশ

প্রকাশের সময়: ০৬:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

ঋণের কিস্তি আদায়ের আড়ালে এক নারী সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে গাইবান্ধায় গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)-এর এক মাঠকর্মীকে হাতেনাতে আটক করেছে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ওই কর্মীকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এনজিওর নিয়মিত কিস্তি আদায়ের সুবাদে ওই এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল অভিযুক্ত কর্মীর। অভিযোগ উঠেছে, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি এক নারী ঋণগ্রহীতাকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

​পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং জনতার কবল থেকে ওই কর্মীকে উদ্ধার করে নিরাপদে থানায় নিয়ে যায়।

​এলাকাবাসীর দাবি, ক্ষুদ্রঋণের মতো সংবেদনশীল ও সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত মাঠকর্মীদের এমন আচরণ পুরো প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। এতে মাঠপর্যায়ে অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মীদের প্রতিও সাধারণ মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়। এ ঘটনায় এনজিও কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ নজরদারি বাড়ানোর দাবি তুলেছেন তারা।

​এ বিষয়ে স্থানীয়রা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।