বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​ময়লার পানিকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে তাণ্ডব এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী: সাংবাদিকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর এলাকার নুনিয়াগাড়ীতে রাতে আধারে বাড়িঘেরাও করে ভাঙচুর, গালিগালাজ এবং এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বিথী বেগম (৪৫) বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখসহ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১:৩০টার দিকে বৃষ্টিতে গোসলখানার ময়লার ট্যাংকের পানি উপচে রাস্তায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে ১নং বিবাদী ফিরোজ কবির (৩৫), ২নং বিবাদী সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মিথুন (৩০) ও ৩নং বিবাদী মোন্তা মিয়াসহ (৪৫) অজ্ঞাতনামা সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিথী বেগমের বাসা ঘেরাও করে।

​একপর্যায়ে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে হাতে ইট নিয়ে বাসার মেইন গেট এবং একটি বৈদ্যুতিক প্রিপেইড মিটার ভাঙচুর করে। এতে আনুমানিক ২০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

​সংবাদ সূত্রে আরও জানা যায়, তাণ্ডব ও ভাঙচুরের একপর্যায়ে ১নং বিবাদী ফিরোজ কবির তার ব্যবহৃত মোবাইল থেকে বিথী বেগমের ছেলে মাহাবুর হাসান চৌধুরীকে ফোন করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবীকৃত টাকা না দিলে বিথী বেগম ও তার মেয়ের অপূরণীয় ক্ষতি করা হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগীর ছেলে শহীদ আর্মির মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা সাংবাদিক মিথুনের মাধ্যমে ১নং বিবাদীকে প্রদান করেন। এরপরও অবশিষ্ট ৮৫ হাজার টাকার জন্য বিবাদীরা প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে।

​ঘটনাটির বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করার পর আইনগত প্রতিকার পেতে বিথী বেগম পলাশবাড়ী থানায় উপস্থিত হয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ বিষয়ে এক নং এবং দুই নং বিবাদীর সাথে কথা বললে প্রথমে দুজনেই টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে বিবাদি ফিরোজ স্পষ্ট বলেন টাকা সাংবাদিক মিথুন গ্রহন করে তাকে দেয়।

পলাশবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং অতি দ্রুত সময়ের মাঝেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিষয়টি তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার।

জনপ্রিয়

​ময়লার পানিকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে তাণ্ডব এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী: সাংবাদিকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

error: Content is protected !!

​ময়লার পানিকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে তাণ্ডব এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী: সাংবাদিকসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০১:৫৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর এলাকার নুনিয়াগাড়ীতে রাতে আধারে বাড়িঘেরাও করে ভাঙচুর, গালিগালাজ এবং এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ বিথী বেগম (৪৫) বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখসহ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১:৩০টার দিকে বৃষ্টিতে গোসলখানার ময়লার ট্যাংকের পানি উপচে রাস্তায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে ১নং বিবাদী ফিরোজ কবির (৩৫), ২নং বিবাদী সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মিথুন (৩০) ও ৩নং বিবাদী মোন্তা মিয়াসহ (৪৫) অজ্ঞাতনামা সঙ্গীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিথী বেগমের বাসা ঘেরাও করে।

​একপর্যায়ে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে হাতে ইট নিয়ে বাসার মেইন গেট এবং একটি বৈদ্যুতিক প্রিপেইড মিটার ভাঙচুর করে। এতে আনুমানিক ২০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

​সংবাদ সূত্রে আরও জানা যায়, তাণ্ডব ও ভাঙচুরের একপর্যায়ে ১নং বিবাদী ফিরোজ কবির তার ব্যবহৃত মোবাইল থেকে বিথী বেগমের ছেলে মাহাবুর হাসান চৌধুরীকে ফোন করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবীকৃত টাকা না দিলে বিথী বেগম ও তার মেয়ের অপূরণীয় ক্ষতি করা হবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগীর ছেলে শহীদ আর্মির মাধ্যমে ১৫ হাজার টাকা সাংবাদিক মিথুনের মাধ্যমে ১নং বিবাদীকে প্রদান করেন। এরপরও অবশিষ্ট ৮৫ হাজার টাকার জন্য বিবাদীরা প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে।

​ঘটনাটির বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করার পর আইনগত প্রতিকার পেতে বিথী বেগম পলাশবাড়ী থানায় উপস্থিত হয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ বিষয়ে এক নং এবং দুই নং বিবাদীর সাথে কথা বললে প্রথমে দুজনেই টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে বিবাদি ফিরোজ স্পষ্ট বলেন টাকা সাংবাদিক মিথুন গ্রহন করে তাকে দেয়।

পলাশবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং অতি দ্রুত সময়ের মাঝেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিষয়টি তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার।