রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে পড়ে মারা গেলেন পাবনার ফরিদুল ইসলাম

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ১০:৩৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯
  • ৩৬৭ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে পড়ে মারা গেলেন পাবনার চাটমোহরের নির্মাণ শ্রমিক ফরিদুল ইসলাম (৩৫)।গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফরিদের ভাতিজা জুয়েল জানান, তিন তলা ভবনে কাজ করার সময় সেখান থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এ খবর পান ফরিদের স্বজনেরা। ফরিদুল ইসলাম উপজেলার পূর্বটিয়ারতলা গ্রামের বাসিন্দা সোনা প্রামানিকের ছেলে।

জুয়েল আরও জানান, সাড়ে চার বছর আগে মালয়েশিয়ায় যান ফরিদ। সংসারে স্বচ্ছলতা আনতে বিদেশ পাড়ি জমান তিনি। ঘরে তার ১৫ বছর বয়সী ছেলে ও স্ত্রী রয়েছেন। মা মারা গেছেন। বেঁচে আছেন বাবা। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন তিনি। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ফরিদের বাড়িতে চলছে মাতম। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী ফরিদা খাতুন। সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে জীবিকার উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদুল ইসলাম।

ফরিদুলের মরদেহ দেশে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার। এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার অসীম কুমার জানান, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে নিহতের মরদেহ যাতে দ্রুত দেশে আনা যায় প্রশাসনিকভাবে তার ব্যবস্থা করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতাও করা হবে।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় ৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

error: Content is protected !!

নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে পড়ে মারা গেলেন পাবনার ফরিদুল ইসলাম

প্রকাশের সময়: ১০:৩৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯

মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে পড়ে মারা গেলেন পাবনার চাটমোহরের নির্মাণ শ্রমিক ফরিদুল ইসলাম (৩৫)।গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফরিদের ভাতিজা জুয়েল জানান, তিন তলা ভবনে কাজ করার সময় সেখান থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এ খবর পান ফরিদের স্বজনেরা। ফরিদুল ইসলাম উপজেলার পূর্বটিয়ারতলা গ্রামের বাসিন্দা সোনা প্রামানিকের ছেলে।

জুয়েল আরও জানান, সাড়ে চার বছর আগে মালয়েশিয়ায় যান ফরিদ। সংসারে স্বচ্ছলতা আনতে বিদেশ পাড়ি জমান তিনি। ঘরে তার ১৫ বছর বয়সী ছেলে ও স্ত্রী রয়েছেন। মা মারা গেছেন। বেঁচে আছেন বাবা। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন তিনি। মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ফরিদের বাড়িতে চলছে মাতম। বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী ফরিদা খাতুন। সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে জীবিকার উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া পাড়ি জমিয়েছিলেন ফরিদুল ইসলাম।

ফরিদুলের মরদেহ দেশে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার। এ বিষয়ে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরকার অসীম কুমার জানান, পরিবারের সঙ্গে কথা বলে নিহতের মরদেহ যাতে দ্রুত দেশে আনা যায় প্রশাসনিকভাবে তার ব্যবস্থা করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতাও করা হবে।