
ভোরের নির্জনতা ভেঙে মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে কেঁপে উঠেছিল সুন্দরগঞ্জ পৌরসভা ও সংলগ্ন এলাকা। ২০ সেপ্টেম্বর ভোরের সেই রহস্যজনক ও ভীতিকর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় শেষপর্যন্ত আইনের জালে ধরা পড়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতা।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান আহম্মেদ (৭০) এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা লিটন মন্ডল (৩৯)। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজ নিজ বসতবাড়িতে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর ভোরে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড এবং দহবন্দ ইউনিয়নের গোপালচরণ এলাকায় পরপর তিনটি বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর ৪টা ২৬ মিনিট; এর ঠিক দুই মিনিট পর ৪টা ২৮ এবং পরবর্তী দুই মিনিট পর ৪টা ৩০ মিনিটে শেষ বিস্ফোরণটি ঘটিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো হয়। চার মিনিটের এই সুপরিকল্পিত তাণ্ডবের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক দ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ্। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই মামলায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার পেছনের মূল রহস্য উদঘাটন এবং বাকি জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















