
সরকারি নোটিশে ছিল ৩৩.২৫ শতাংশ জমি অধিগ্রহণের কথা। সেই জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পরও নজর পড়েছে অবশিষ্ট সম্পত্তিতে; এবার যুক্ত হয়েছে আরও প্রায় ৪ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলের অপচেষ্টা ও দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে জেলা ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার অসাধু সিন্ডিকেট এবং সাংবাদিক পাপুল সরকারের যোগসাজশে এমন অভিনব হয়রানি ও টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, সরকারি অধিগ্রহণের মূল সীমানা ছাড়িয়ে স্থানীয় একটি কুচক্রী মহল, এলএ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৭১ টিভির উপজেলা সাংবাদিকের একটি সংঘবদ্ধ চক্র তাঁর ব্যক্তিমালিকানাধীন অবশিষ্ট জমি গ্রাস করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বৈধ নথিপত্র ও বণ্টননামা অনুযায়ী বিরোধপূর্ণ জমিতে অন্য কারও আইনগত অধিকার না থাকলেও, চক্রটির অনৈতিক আবদারে সায় না দেওয়ায় তাঁকে ধারাবাহিক হুমকি ও মানসিক চাপে রাখা হচ্ছে।
অভিযোগে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পায় অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া নিয়ে। ভুক্তভোগী জানান, পূর্বে নিষ্পত্তি হওয়া একটি ‘মিস কেস’-এ কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ না থাকলেও একটি বিশেষ মহলকে অবৈধ সুবিধা পাইয়ে দিতে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নতুন নাম ঢুকিয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, ন্যায্য ক্ষতিপূরণের চেক দীর্ঘ ৭–৮ মাস অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে নানামুখী চাপের মুখে চেক ছাড় করা হলেও মোট বরাদ্দ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ কেটে রেখে তা ভুক্তভোগীকে প্রদান করা হয়।
বণ্টননামা ও সরকারি নথির তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার দাপট ও অপসাংবাদিকতার আড়ালে জমি দখলচেষ্টা বন্ধ, কেটে নেওয়া ক্ষতিপূরণের টাকা ফেরত এবং জড়িত এলএ শাখার অসাধু চক্র ও সাংবাদিক পাপুল সরকারের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। হয়রানি থেকে বাঁচতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (এডিসি) কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এই ভুক্তভোগী।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
















