
গাইবান্ধায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে ব্যবহার করে প্রকাশ্যে চলছে অনৈতিক কাজের চটকদার প্রচারণা। জেলার বিভিন্ন স্থানীয় গ্রুপ ও পেজে তরুণীদের ছবি ও মোবাইল নম্বর জুড়ে দিয়ে ‘সার্ভিস’ দেওয়ার নামে বিজ্ঞাপন প্রচার করছে একটি অসাধু চক্র। স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারির অভাবে প্রকাশ্যে চলা এমন কর্মকাণ্ডে শহরবাসী ও অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, গাইবান্ধা জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার নামযুক্ত ফেসবুক গ্রুপগুলোতে একের পর এক এমন বিজ্ঞাপন পোস্ট করা হচ্ছে। যেখানে নির্দিষ্ট স্থান বা হোটেলের নাম উল্লেখ করে যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর দেওয়া থাকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব বিজ্ঞাপনের নেপথ্যে দেহব্যবসার পাশাপাশি বড় ধরনের ব্ল্যাকমেইলিং ও প্রতারক চক্র সক্রিয়। ভুয়া বা সংগৃহীত ছবি ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা ব্যক্তিদের জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, ব্ল্যাকমেইল করা কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের মতো অপরাধের ঘটনাও ঘটছে।
সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনের নাকের ডগায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এভাবে প্রকাশ্য অপরাধমূলক তৎপরতা চলতে থাকলে তরুণ সমাজ বিপথগামী হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। তাই জেলা পুলিশ ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের মাধ্যমে দ্রুত এই চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং জড়িত হোটেল বা আস্তানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















