
গাইবান্ধার রামচন্দ্রপুর এলাকায় অবস্থিত ‘দ্বীনের দিশারী মহিলা হাফিজিয়া মাদরাসা’র পরিচালক ডা. হাসান আলীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতন ও যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এক তরুণী।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও বার্তায় ওই তরুণী এই অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগীর দাবি, প্রায় ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ আগে মাদরাসার পরিচালক ডা. হাসান আলী তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন এবং অনৈতিক প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে পরিচালক তাকে জোরপূর্বক শারীরিক হেনস্তার চেষ্টা চালালে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
তরুণী আরও জানান, এই অন্যায়ের প্রতিকার চাইতে পরিচালকের স্ত্রীর শরণাপন্ন হলে তিনি বিচারের বদলে উল্টো তরুণীর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালান। রোজাদার থাকা অবস্থায় তাকে মারধর ও ধাক্কাধাক্কি করে মাদরাসা প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ভিডিওতে মাদরাসা পরিচালকের ছেলের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। তরুণীর ভাষ্যমতে, পরিচালকের ছেলে প্রতিষ্ঠানটির ছাত্রীদের সঙ্গে অশালীন কথাবার্তা বলতেন এবং তাদের কুরুচিপূর্ণ ভিডিও দেখাতেন, যা মাদরাসার অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে চরমভাবে বিষাক্ত করে তোলে।

অভিযুক্ত পরিচালক ডা. হাসান আলী বিষয়ট ভিত্তিহীন বলে দাবি করলেও তার পরিবারের কোনো সদস্যের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে ভুক্তভোগি ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়েরের ব্যবস্থা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
তবে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী তরুণী এবং এলাকাবাসী।
নিজস্ব প্রতিবেদক 













