বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণ, প্রাইভেট শিক্ষক গ্রেপ্তার

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০১:১৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

গোবিন্দগঞ্জে নাবালিকা স্কুল শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় প্রাইভেট শিক্ষকসহ দু’জনকে নীলফামারী থেকে আটক করেছে র‌্যাব-১৩। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত প্রাইভেট শিক্ষক শাফিউল (৩০), বিদ্যাকোষ স্কুলের সাবেক শিক্ষক ও শাখাহার ইউনিয়নের ফেসকা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।

বিএম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী এক নাবালিকা শিক্ষার্থীকে সুকৌশলে প্রাইভেট শিক্ষক শাফিউল নিয়ে নিখোঁজ হন।

এ ঘটনার পর ৩ সেপ্টেম্বর গোবিন্দগঞ্জ থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। ১৫ অক্টোবর (বুধবার) নীলফামারী থেকে আসামি সাফিউল ও ভিকটিম নাবালিকাকে আটক করে র‌্যাব-১৩। পরে তাদের গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়া এবং কোর্টে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জবানবন্দি গ্রহণের পর নাবালিকাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হলেন এসআই (নিরস্ত্র) মুমিনুল ইসলাম।

এ ঘটনায় বিদ্যাকোষ স্কুলের পরিচালক সোহেল রানা বলেন, আমরা ওই শিক্ষককে ১১মাস পূর্বে বাদ দিয়েছি।সে এখন বিদ্যাকোষ স্কুলের শিক্ষক নয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বুলবুল ইসলাম অভিভাবকদের প্রতি সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “সন্তানদের পড়াশোনা ও চলাফেরার বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও নজরদারি জরুরি।”
উল্লেখ্য, মামলাটির তদন্ত চলছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

কর্মকর্তা বদলি হলেও বাংলো ছাড়েননি কথিত স্ত্রী সুমি : গাইবান্ধা জেলা পরিষদে তোলপাড়, সরকারি মালামাল পাচারের অভিযোগ

error: Content is protected !!

নবম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণ, প্রাইভেট শিক্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময়: ০১:১৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

গোবিন্দগঞ্জে নাবালিকা স্কুল শিক্ষার্থী অপহরণের ঘটনায় প্রাইভেট শিক্ষকসহ দু’জনকে নীলফামারী থেকে আটক করেছে র‌্যাব-১৩। পরে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত প্রাইভেট শিক্ষক শাফিউল (৩০), বিদ্যাকোষ স্কুলের সাবেক শিক্ষক ও শাখাহার ইউনিয়নের ফেসকা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।

বিএম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ১৫ বছর বয়সী এক নাবালিকা শিক্ষার্থীকে সুকৌশলে প্রাইভেট শিক্ষক শাফিউল নিয়ে নিখোঁজ হন।

এ ঘটনার পর ৩ সেপ্টেম্বর গোবিন্দগঞ্জ থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। ১৫ অক্টোবর (বুধবার) নীলফামারী থেকে আসামি সাফিউল ও ভিকটিম নাবালিকাকে আটক করে র‌্যাব-১৩। পরে তাদের গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়া এবং কোর্টে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জবানবন্দি গ্রহণের পর নাবালিকাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হলেন এসআই (নিরস্ত্র) মুমিনুল ইসলাম।

এ ঘটনায় বিদ্যাকোষ স্কুলের পরিচালক সোহেল রানা বলেন, আমরা ওই শিক্ষককে ১১মাস পূর্বে বাদ দিয়েছি।সে এখন বিদ্যাকোষ স্কুলের শিক্ষক নয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বুলবুল ইসলাম অভিভাবকদের প্রতি সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “সন্তানদের পড়াশোনা ও চলাফেরার বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও নজরদারি জরুরি।”
উল্লেখ্য, মামলাটির তদন্ত চলছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।