শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুলছড়িতে বদলাচ্ছে জীবনচিত্র: এডিপির সহায়তায় মাথা উঁচু করে বাঁচার স্বপ্ন

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৭:৪০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দের আওতায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে হুইলচেয়ার এবং সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।

​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোট ৬ জন শারীরিক প্রতিবন্ধীকে হুইলচেয়ার এবং ৮ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দুস্থ নারীকে সেলাই মেশিন দেওয়া হয়।

​বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা তৌহিদুল করিম সরকার, এলজিইডির উপ-প্রকৌশলী ইস্তাম্বুল হক, ফুলছড়ি উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, উড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আবুল খায়ের, ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ. এম. সুলাইমান শহীদ, আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​সামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা। সেলাই মেশিন পাওয়া উত্তর কাঠুর গ্রামের নাজিয়া সুলতানা বলেন, “প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরও অর্থাভাবে সেলাই মেশিন কিনতে পারছিলাম না। এই মেশিনটি পাওয়ায় এখন ঘরে বসেই উপার্জন করে সংসারের অভাব মেটাতে পারব।

​হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগপ্লুত আরেন্দাবাড়ী ইউনিয়নের হরিচন্দি গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী জাহেদুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে চলাফেরা করতে না পেরে একপ্রকার বন্দী জীবন কাটাচ্ছিলাম। আবেদনের পর এলজিইডি অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় হুইলচেয়ারটি পেলাম। এখন নিজে নিজেই চলাফেরা করতে পারব।

​এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “অসহায় ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাবলম্বী করা এবং তাঁদের জীবনমান উন্নয়নে উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মুখে হাসি ফোটাতে এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

জনপ্রিয়

ফুলছড়িতে বদলাচ্ছে জীবনচিত্র: এডিপির সহায়তায় মাথা উঁচু করে বাঁচার স্বপ্ন

error: Content is protected !!

ফুলছড়িতে বদলাচ্ছে জীবনচিত্র: এডিপির সহায়তায় মাথা উঁচু করে বাঁচার স্বপ্ন

প্রকাশের সময়: ০৭:৪০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দের আওতায় অসহায় ও দুস্থদের মাঝে হুইলচেয়ার এবং সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়।

​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোট ৬ জন শারীরিক প্রতিবন্ধীকে হুইলচেয়ার এবং ৮ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দুস্থ নারীকে সেলাই মেশিন দেওয়া হয়।

​বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা তৌহিদুল করিম সরকার, এলজিইডির উপ-প্রকৌশলী ইস্তাম্বুল হক, ফুলছড়ি উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, উড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আবুল খায়ের, ফুলছড়ি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ. এম. সুলাইমান শহীদ, আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​সামগ্রী পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন উপকারভোগীরা। সেলাই মেশিন পাওয়া উত্তর কাঠুর গ্রামের নাজিয়া সুলতানা বলেন, “প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরও অর্থাভাবে সেলাই মেশিন কিনতে পারছিলাম না। এই মেশিনটি পাওয়ায় এখন ঘরে বসেই উপার্জন করে সংসারের অভাব মেটাতে পারব।

​হুইলচেয়ার পেয়ে আবেগপ্লুত আরেন্দাবাড়ী ইউনিয়নের হরিচন্দি গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী জাহেদুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে চলাফেরা করতে না পেরে একপ্রকার বন্দী জীবন কাটাচ্ছিলাম। আবেদনের পর এলজিইডি অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় হুইলচেয়ারটি পেলাম। এখন নিজে নিজেই চলাফেরা করতে পারব।

​এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “অসহায় ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাবলম্বী করা এবং তাঁদের জীবনমান উন্নয়নে উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মুখে হাসি ফোটাতে এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”