
দূর থেকে দেখলে মনে হবে শুধুই সাধারণ বাইকার। কিন্তু হেলমেটের আড়ালে আর বাইকের সিটের তলায় লুকানো ছিল বিষাক্ত মাদকের মরণফাঁদ! তবে র্যাবের চৌকস নজরদারি এড়িয়ে পার পায়নি তারা। গাইবান্ধার দুই জায়গায় পৃথক ‘সারপ্রাইজ চেকপোস্ট’ বসিয়ে দুটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল, বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ‘এসকাফ’সহ তিন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে জালে তুলেছে র্যাব-১৩।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক তপ্ত বার্তায় নিশ্চিত হওয়া গেছে র্যাবের এই ঝটিকা অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে মোট ৩৬১ বোতল ফেনসিডিল সমজাতীয় বিপজ্জনক মাদক ‘এসকাফ’।

গতকাল সন্ধ্যায় গোপন খবরের ভিত্তিতে সদরের রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে জাল ফেলে সিপিসি-৩, র্যাব-১৩ এর দল। একটি ১০০ সিসির হিরো হোন্ডা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে আসে ২১৩ বোতল এসকাফের গোপন চালান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন শ্রী শিপলু চন্দ্র মোহন্ত (৩৩), পিতা: মৃত বিন্দাবন চন্দ্র মোহন্ত (তুলসীঘাট/ছোট দুর্গাপুর) এবং আমিনুল ইসলাম (৩৮), পিতা: মো. জহুরুল ইসলাম (ফকিরপাড়া)।
প্রথম ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাত পৌনে ৮টার দিকে গোবিন্দগঞ্জের নাকাইহাট সাকসেস মডেল স্কুলের সামনে যেন সিনেমার দৃশ্য! ১৬০ সিসির একটি দ্রুতগামী অ্যাপাচি আরটিআর বাইককে থামিয়ে তল্লাশি চালাতেই থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়ে। উদ্ধার হয় আরও ১৪৮ বোতল এসকাফ। সেখানে গ্রেফতার হয় মাহাবুব আলম ওরফে ভুট্টু (৫০), পিতা: হাসান আলী সরকার (রওশনবাগ মুরারিপুর, পলাশবাড়ী)।

র্যাবের পক্ষ থেকে জানাগেছে , এই চক্রটি সীমান্ত এলাকা থেকে মাদক এনে রংপুর বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাপ্লাই দিত, সেই সাথে মোটরসাইকেলকে তারা বেছে নিয়েছিল দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার মাধ্যম হিসেবে।
র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কঠোর মামলা ঠুকে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















