মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে বেঁধে রাখল বিক্ষুব্ধ জনতা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৬:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

​গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানী ইউনিয়নে এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম ছোলায়মান। এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে হাতেনাতে আটক করে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামারজানী ইউনিয়নের পূর্ব বাটকামারী এলাকার ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ছোলায়মানের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ফুঁসে ওঠেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। ক্ষুব্ধ জনতা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং গণরোষের মুখে তাকে বেঁধে রাখা হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পবিত্র জায়গায় শিক্ষক নামধারী এমন অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনি প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে অভিযুক্তকে কোনো গণপিটুনি না দিয়ে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার তাগিদ দেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তারা।

​এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটির প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্ত এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

জনপ্রিয়

হাতকড়া পরা অবস্থাতেই পুলিশের চোখে ধুলো: কুলিয়ারচরে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ নেতা চম্পট

error: Content is protected !!

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে বেঁধে রাখল বিক্ষুব্ধ জনতা

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানী ইউনিয়নে এক মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিজ প্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম ছোলায়মান। এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত শিক্ষককে হাতেনাতে আটক করে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামারজানী ইউনিয়নের পূর্ব বাটকামারী এলাকার ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ছোলায়মানের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ফুঁসে ওঠেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী। ক্ষুব্ধ জনতা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্ত শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং গণরোষের মুখে তাকে বেঁধে রাখা হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পবিত্র জায়গায় শিক্ষক নামধারী এমন অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনি প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে অভিযুক্তকে কোনো গণপিটুনি না দিয়ে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার তাগিদ দেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন তারা।

​এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট থানা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটির প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে পুলিশি তদন্ত এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।