
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা মামলার এক আসামিকে নাটকীয়ভাবে গ্রেপ্তারের পরও নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারেনি পুলিশ। উল্টো হাতকড়া পরা অবস্থাতেই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেছেন ছয়সূতি ইউনিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রেনু মিয়া। কোনো সংঘর্ষ কিংবা বড় ধরনের হট্টগোল ছাড়াই ভিড়ের সুযোগে আসামির এভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশের পেশাদারিত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে এলাকায় তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া রেনু মিয়া ওই গ্রামের ইল্লাত মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনায় কুলিয়ারচর থানায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারভুক্ত আসামি রেনু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে গা-ঢাকা দিয়ে ছিলেন। সোমবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হাতে হাতকড়া পরিয়ে হেফাজতে নেওয়ার পর খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কোনো বলপ্রয়োগ বা বাধার মুখে না পড়লেও লোকজনের ভিড়ের মধ্যেই অতর্কিতে চম্পট দেন ওই নেতা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতের মুঠোয় এসেও হাতকড়াসহ আসামির পালিয়ে যাওয়াকে স্থানীয়রা প্রশাসনিক দুর্বলতা হিসেবে দেখলেও কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সে পিছলে গেছে। পলাতক রেনু মিয়াকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
















