শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারী কাজে বাধা ইঞ্জিনিয়ার ও ম্যানেজারকে মারধর

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৯:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় চাঁদার টাকা না দেয়ায় সড়ক সম্প্রসারণ কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মোজাহারুল ইসলাম ও মঞ্জুরুল আলম নামে ২ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বাঁধা উপেক্ষা করে কাজ করতে গেলে ইঞ্জিনিয়ার ও ম্যানেজারকে মারধর করেন ওই দুই ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে হাতীবান্ধার দইখাওয়া মোড় থেকে দইখাওয়া আর্দশ কলেজ সড়কের ডাকালীবান্ধা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র আওতায় হাতীবান্ধা মেডিকেল মোড়ের দইখাওয়া মোড় থেকে দইখাওয়া আর্দশ কলেজ পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলো মিটার সড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। ১১ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ কাজটি বাস্তবায়ন করছেন রুপান্তর/জেবি আব্দুল হাকিম নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বড়খাতা এলাকার ঠিকাদার আলমগীর হোসেন রন্টু।

ঠিকাদার আলমগীর হোসেন রন্টুর অভিযোগ, সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু থেকে ডাকালীবান্ধা এলাকার মতিয়ার ডিলারের পুত্র মোজাহারুল ইসলাম চাঁদা দাবী করে আসছে। বৃহস্পতিবার তার বাড়ির সামনে সড়কে কাজ করতে গেলে মোজাহারুল ইসলাম ও তার ভাই মঞ্জুরুল আলম কাজে বাঁধা দেয়। তাদের বাঁধা উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ শুরু করেন শ্রমিকরা। এসময় মোজাহারুল ও মঞ্জুুরুল দুই ভাই ওই কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার নুর এ এলাহী ও ম্যানেজার আব্দুর সালামকে মারধর করেন। এ সময় তাদের কাজে থাকা ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকাও ছিনতাই করে নেন ওই দুই ভাই অভিযোগ আলমগীর হোসেন রন্টুর। পরে স্থানীয়রা ইঞ্জিনিয়ার নুর এ এলাহী ও ম্যানেজার আব্দুর সালামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে মোজাহারুল ইসলাম বলেন, কে বা কাহারা তাদের মারধর করেছে এটা আমি জানি না। আমি তাদের উদ্ধার করেছি।

হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন বলেন, উন্নয়ন মুলক কাজে বাঁধা দেয়ার ঘটনাটি সত্যি দুঃখজনক। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, আমি একটু থানার বাহিরে আছি। বিষয়টি ফোনে আমাকে ঠিকদার অবগত করেছি। থানায় গিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয়

​বিকাশ এজেন্টের টাকা-বাইক লুট: উদ্ধার আকুতির মাঝে চাদাবাজি চক্র, সুন্দরগঞ্জ থানার নিষ্ক্রিয়তায় চরম ক্ষোভ

error: Content is protected !!

সরকারী কাজে বাধা ইঞ্জিনিয়ার ও ম্যানেজারকে মারধর

প্রকাশের সময়: ০৯:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় চাঁদার টাকা না দেয়ায় সড়ক সম্প্রসারণ কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে মোজাহারুল ইসলাম ও মঞ্জুরুল আলম নামে ২ ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বাঁধা উপেক্ষা করে কাজ করতে গেলে ইঞ্জিনিয়ার ও ম্যানেজারকে মারধর করেন ওই দুই ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে হাতীবান্ধার দইখাওয়া মোড় থেকে দইখাওয়া আর্দশ কলেজ সড়কের ডাকালীবান্ধা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র আওতায় হাতীবান্ধা মেডিকেল মোড়ের দইখাওয়া মোড় থেকে দইখাওয়া আর্দশ কলেজ পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলো মিটার সড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। ১১ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ কাজটি বাস্তবায়ন করছেন রুপান্তর/জেবি আব্দুল হাকিম নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বড়খাতা এলাকার ঠিকাদার আলমগীর হোসেন রন্টু।

ঠিকাদার আলমগীর হোসেন রন্টুর অভিযোগ, সড়ক সম্প্রসারণের কাজ শুরু থেকে ডাকালীবান্ধা এলাকার মতিয়ার ডিলারের পুত্র মোজাহারুল ইসলাম চাঁদা দাবী করে আসছে। বৃহস্পতিবার তার বাড়ির সামনে সড়কে কাজ করতে গেলে মোজাহারুল ইসলাম ও তার ভাই মঞ্জুরুল আলম কাজে বাঁধা দেয়। তাদের বাঁধা উপেক্ষা করে নির্মাণ কাজ শুরু করেন শ্রমিকরা। এসময় মোজাহারুল ও মঞ্জুুরুল দুই ভাই ওই কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার নুর এ এলাহী ও ম্যানেজার আব্দুর সালামকে মারধর করেন। এ সময় তাদের কাজে থাকা ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকাও ছিনতাই করে নেন ওই দুই ভাই অভিযোগ আলমগীর হোসেন রন্টুর। পরে স্থানীয়রা ইঞ্জিনিয়ার নুর এ এলাহী ও ম্যানেজার আব্দুর সালামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে মোজাহারুল ইসলাম বলেন, কে বা কাহারা তাদের মারধর করেছে এটা আমি জানি না। আমি তাদের উদ্ধার করেছি।

হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী নজির হোসেন বলেন, উন্নয়ন মুলক কাজে বাঁধা দেয়ার ঘটনাটি সত্যি দুঃখজনক। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, আমি একটু থানার বাহিরে আছি। বিষয়টি ফোনে আমাকে ঠিকদার অবগত করেছি। থানায় গিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।