সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেলার নামে সার্কাসের আসর, নগ্ন নৃত্যের পায়তারা: উধাও নিরাপত্তা, স্থানীয়দের চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা নদীর পাড়ে মেলার আড়ালে অবাধে চলছে সার্কাস ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন। কোনো রকম যথাযথ নিয়ন্ত্রণ, তদারকি কিংবা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন চলছে এই আয়োজন।

ঝুঁকিপূর্ণ নদীপাড়ে এমন অনিয়ন্ত্রিত আয়োজনের কারণে এলাকায় চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এই নিয়ে পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মেলার নামে এখানে মূলত সার্কাসের আড়ালে, নগ্ননৃত্য, জুযা সহ এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের অতিরিক্ত ভিড়, উচ্চশব্দে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম বাজানো এবং একশ্রেণীর বখাটেদের আনাগোনার কারণে ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল সম্পূর্ণ ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকেরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।

​এলাকাবাসী আরও জানান, তিস্তা নদীর পাড় এমনিতেই একটি সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান। সেখানে হাজার হাজার মানুষের এই অনিয়ন্ত্রিত সমাগম যেকোনো মুহূর্তে ধস বা বড় ধরনের কোনো ট্র্যাজেডি ডেকে আনতে পারে। মেলা কমিটিকে বারবার সতর্ক করা হলেও তারা স্থানীয়দের দাবি তোয়াক্কা না করে উল্টো নিজেদের মতো করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

​নিরাপত্তাহীন ও বিশৃঙ্খল এই ‘বিনোদন বাণিজ্য’ অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন হরিপুরের সচেতন মহল। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সম্ভাব্য বড় কোনো দুর্ঘটনা এড়াতে তারা অনতিবিলম্বে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় বেপরোয়া অটোরিকশা, স্থবির পুরো শহর, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন

error: Content is protected !!

মেলার নামে সার্কাসের আসর, নগ্ন নৃত্যের পায়তারা: উধাও নিরাপত্তা, স্থানীয়দের চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ

প্রকাশের সময়: ১১:৪৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা নদীর পাড়ে মেলার আড়ালে অবাধে চলছে সার্কাস ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন। কোনো রকম যথাযথ নিয়ন্ত্রণ, তদারকি কিংবা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের পর দিন চলছে এই আয়োজন।

ঝুঁকিপূর্ণ নদীপাড়ে এমন অনিয়ন্ত্রিত আয়োজনের কারণে এলাকায় চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এই নিয়ে পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

​স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মেলার নামে এখানে মূলত সার্কাসের আড়ালে, নগ্ননৃত্য, জুযা সহ এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের অতিরিক্ত ভিড়, উচ্চশব্দে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম বাজানো এবং একশ্রেণীর বখাটেদের আনাগোনার কারণে ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল সম্পূর্ণ ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকেরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।

​এলাকাবাসী আরও জানান, তিস্তা নদীর পাড় এমনিতেই একটি সংবেদনশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান। সেখানে হাজার হাজার মানুষের এই অনিয়ন্ত্রিত সমাগম যেকোনো মুহূর্তে ধস বা বড় ধরনের কোনো ট্র্যাজেডি ডেকে আনতে পারে। মেলা কমিটিকে বারবার সতর্ক করা হলেও তারা স্থানীয়দের দাবি তোয়াক্কা না করে উল্টো নিজেদের মতো করে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

​নিরাপত্তাহীন ও বিশৃঙ্খল এই ‘বিনোদন বাণিজ্য’ অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন হরিপুরের সচেতন মহল। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সম্ভাব্য বড় কোনো দুর্ঘটনা এড়াতে তারা অনতিবিলম্বে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।