
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বাল্যবিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে তার পরিবারের বিরুদ্ধে।
সরকারিভাবে বাল্যবিয়ে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনা ও আর্থিক লোভে পড়ে এই শিশুটির জীবন ও ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা থেকে আমলাগাছি যাওয়ার সড়কে অবস্থিত প্রথম ইটভাটার বাম পাশের গলির শেষ মাথার বাসিন্দা চিন্টু মিয়ার মেয়ে। পরিবারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু দিন ধরেই তাকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা জানান, একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের এভাবে বিয়ে হলে তার পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত চরম ঝুঁকি তৈরি হবে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে ইতোমধ্যে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এসিল্যান্ডকে অবগত করা হলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ বা হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি।
আইন অনুযায়ী বাল্যবিয়ে একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও প্রশাসনের এমন নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে এ বাল্যবিয়ে বন্ধ করা এবং শিশুটির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















