সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাঠেরহাটে বাসের ধাক্কায় প্রান হারালো অটো চালক, হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন নারী যাত্রী

গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী মহাসড়কের মাঠেরহাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের বেপরোয়া গতি কেড়ে নিল ফেরদৌস মিয়া (৫০) নামের এক অটোরিকশা চালকের প্রাণ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের এই নৃশংস দুর্ঘটনায় শাপলা বেগম নামে এক নারী যাত্রীও মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে হাসপাতালে পাঞ্জা লড়ছেন।

​নিহত ফেরদৌস মিয়া সাদুল্লাপুর উপজেলার খোদ্দ কোমরপুর ইউনিয়নের কিসামত দূগাপুর গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে। জীবিকার তাগিদে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি, কিন্তু কে জানত সেই পথই হবে তার শেষ ঠিকানা!

​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘অরিন ট্রাভেলস’-এর একটি দ্রুতগামী বাস মাঠেরহাট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি মুহূর্তেই দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান চালক ফেরদৌস।

​দুর্ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা যাত্রী শাপলা বেগম মারাত্মকভাবে জখম হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা দ্রুত তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

​খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করে।

​পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কাজ চলছে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বাসের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া ফেরদৌসের পরিবারের এই শূন্যতা পূরণ করবে কে—সেই প্রশ্নই এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।

জনপ্রিয়

স্বঘোষিত বিএনপি নেতা মিলনের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ ফজলুপুর: ভূমি দখল, মাদক কারবার ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বেপরোয়া দুই ভাই

error: Content is protected !!

মাঠেরহাটে বাসের ধাক্কায় প্রান হারালো অটো চালক, হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন নারী যাত্রী

প্রকাশের সময়: ০৩:৩০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

গাইবান্ধা-পলাশবাড়ী মহাসড়কের মাঠেরহাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের বেপরোয়া গতি কেড়ে নিল ফেরদৌস মিয়া (৫০) নামের এক অটোরিকশা চালকের প্রাণ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরের এই নৃশংস দুর্ঘটনায় শাপলা বেগম নামে এক নারী যাত্রীও মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে হাসপাতালে পাঞ্জা লড়ছেন।

​নিহত ফেরদৌস মিয়া সাদুল্লাপুর উপজেলার খোদ্দ কোমরপুর ইউনিয়নের কিসামত দূগাপুর গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে। জীবিকার তাগিদে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন তিনি, কিন্তু কে জানত সেই পথই হবে তার শেষ ঠিকানা!

​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ‘অরিন ট্রাভেলস’-এর একটি দ্রুতগামী বাস মাঠেরহাট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অটোরিকশাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি মুহূর্তেই দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান চালক ফেরদৌস।

​দুর্ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা যাত্রী শাপলা বেগম মারাত্মকভাবে জখম হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা দ্রুত তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

​খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহত চালকের মরদেহ উদ্ধার করে।

​পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কাজ চলছে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বাসের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে চিরতরে হারিয়ে যাওয়া ফেরদৌসের পরিবারের এই শূন্যতা পূরণ করবে কে—সেই প্রশ্নই এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।