
মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের জেরে জাতীয় দৈনিক ‘বাংলাদেশ সময়’ পত্রিকার নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি মোঃ লিটন সরকারের ওপর প্রকাশ্যে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। সোমবার দুপুরে নীলফামারী জেলা আদালত চত্বরের সম্রাট হোসেন বাবুর হোটেলে দিনদুপুরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এই নৃশংস হামলা ও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নীলফামারী জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য আফতাবুজ্জামান বিপ্লব, শিক্ষানবিশ আইনজীবী রিঙ্কু এবং চিহ্নিত মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজ জহুরুলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল অতর্কিতভাবে সাংবাদিক লিটন সরকারের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলার একপর্যায়ে আফতাবুজ্জামান বিপ্লব ধারালো চাকু দিয়ে সরাসরি তাঁর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা চালায়। এ সময় লিটন সরকার আত্মরক্ষার্থে হাত দিয়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করলে চাকুর কোপে তাঁর বাম বাহু মারাত্মকভাবে রক্তাক্ত ও জখম হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় সহকর্মীরা তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত সাংবাদিক লিটন সরকার অভিযোগ করে বলেন, “মাদক চক্র ও তাদের গডফাদারদের বিরুদ্ধে সত্য তুলে ধরে সংবাদ প্রকাশ করার কারণেই অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে।” তিনি অবিলম্বে এই হত্যাচেষ্টায় জড়িত সন্ত্রাসী ও তাদের মদদদাতাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।
এদিকে, বিচারালয়ের মতো একটি সুরক্ষিত চত্বরে দিনদুপুরে একজন পেশাদার সাংবাদিকের ওপর এমন নৃশংস ও প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় নীলফামারীর সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও চরম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন; অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
















