
গাইবান্ধায় শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস, তীব্র লোডশেডিং সৃষ্টি এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে বিতর্কিত কথিত ‘বাণিজ্যমেলা’ আয়োজনের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও গণপ্রতিরোধ গড়ে উঠেছে। একটি স্বার্থান্বেষী দুষ্টচক্রের মেলা বাণিজ্যের পাঁয়তারার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সমাজ।

গাইবান্ধা পৌর পার্ক প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের পকেট কাটা ও বিদ্যুৎ সংকট তীব্র করে তথাকথিত মেলার নামে কোনো ধরনের অনৈতিক বাণিজ্য বরদাশত করা হবে না।
পরে সমাবেশ থেকে সংগঠনের সকল নেতা কর্মিরা মিলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে একটি মানববন্ধন করেন। উক্ত মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, এনসিপির গাইবান্ধা জেলা আহবায়ক খাদেমুল ইসলাম খুদি, সদস্য সচিব রাহাদ ইবনে শহীদ-সদস্য সচিব, এন সি পির কেন্দ্রীয় সদস্য-ফিহাদুর রহমান দিবস, পৌর আহবায়ক জাহাঙ্গির আলম তনু সহ অন্যান্নরা।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, যখন তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে, ঠিক তখনই একটি অসাধু চক্র ব্যক্তিগত ফায়দা লুটতে বাণিজ্যমেলার আয়োজন করার চক্রান্ত চালাচ্ছে। স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ব্যাংক ঋণ আর দেনার দায়ে যখন টিকে থাকার লড়াই করছেন, তখন বাইরে থেকে সুবিধাভোগী চক্র এনে মেলা বসিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে পুরোপুরি পঙ্গু করে দেওয়ার ছক আঁকা হয়েছে। তাই অবিলম্বে এই বিতর্কিত আয়োজন বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় গাইবান্ধার সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর লাগাতার আন্দোলনের কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

পরে জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এই মেলা বন্ধের জোরালো দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
সমাবেশে স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক সচেতন নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 













