শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পোকা ধরা চালের প্রতিবাদ করায় খাদ্য কর্মকর্তার হুঙ্কার: ‘যা পারেন করেন’

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: ০৮:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

দরিদ্র মানুষের পেটের ভাতেও এবার ভাগ বসিয়েছে পোকা, আর সেই অনিয়মের প্রতিকার চাইতে গিয়ে মিলল সরকারি কর্মকর্তার চরম ঔদ্ধত্য। গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৫ টাকা কেজি দরের চালে মিলছে পোকা ও চরম দুর্গন্ধযুক্ত নিম্নমানের খাদ্যশস্য। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই দায়িত্বশীল খাদ্য কর্মকর্তা সাংবাদিকদের ছুড়ে দিয়েছেন দম্ভোক্তি—‘কি করতে পারেন করেন!

​বাদিয়াখালী পুরাতন বাজারে খাদ্য অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ডিলার ‘আলম ট্রেডার্স’-এর মাধ্যমে কার্ডধারীদের মাঝে ৩০ কেজির বস্তাভর্তি চাল বিতরণ করা হচ্ছিল। কিন্তু বস্তা খুলতেই চোখ ছানাবড়া দরিদ্র দিনমজুর ও নিম্নবিত্তদের। চালের ভেতর কিলবিল করছে হাতিয়া ও নাটা পোকা। খাওয়ার সম্পূর্ণ অনুপযোগী এই চাল পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ভুক্তভোগীরা। তাদের অভিযোগ, নজরদারির চরম অভাবে সরকারের এই মহৎ উদ্যোগকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করা হয়েছে।

​অনিয়ম ও পোকা ধরা চালের বিষয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান চালিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-এলএসডি) শাহিদ হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাংবাদিকরা। চালের বেহাল দশা নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘কি করতে পারেন করেন।

​একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার এমন বেপরোয়া ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যে ফুঁসে উঠেছে পুরো বাদিয়াখালী। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মুখের খাবার নিয়ে এমন জালিয়াতি এবং কর্মকর্তার ঔদ্ধত্যের ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই চালের মান পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

জনপ্রিয়

১৫ বছর নামমাত্র বেতনে খেটেও শূন্য হাত: হরিজন নারীকে হটিয়ে কলেজে লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্য!

error: Content is protected !!

পোকা ধরা চালের প্রতিবাদ করায় খাদ্য কর্মকর্তার হুঙ্কার: ‘যা পারেন করেন’

প্রকাশের সময়: ০৮:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দরিদ্র মানুষের পেটের ভাতেও এবার ভাগ বসিয়েছে পোকা, আর সেই অনিয়মের প্রতিকার চাইতে গিয়ে মিলল সরকারি কর্মকর্তার চরম ঔদ্ধত্য। গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১৫ টাকা কেজি দরের চালে মিলছে পোকা ও চরম দুর্গন্ধযুক্ত নিম্নমানের খাদ্যশস্য। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই দায়িত্বশীল খাদ্য কর্মকর্তা সাংবাদিকদের ছুড়ে দিয়েছেন দম্ভোক্তি—‘কি করতে পারেন করেন!

​বাদিয়াখালী পুরাতন বাজারে খাদ্য অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ডিলার ‘আলম ট্রেডার্স’-এর মাধ্যমে কার্ডধারীদের মাঝে ৩০ কেজির বস্তাভর্তি চাল বিতরণ করা হচ্ছিল। কিন্তু বস্তা খুলতেই চোখ ছানাবড়া দরিদ্র দিনমজুর ও নিম্নবিত্তদের। চালের ভেতর কিলবিল করছে হাতিয়া ও নাটা পোকা। খাওয়ার সম্পূর্ণ অনুপযোগী এই চাল পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ভুক্তভোগীরা। তাদের অভিযোগ, নজরদারির চরম অভাবে সরকারের এই মহৎ উদ্যোগকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করা হয়েছে।

​অনিয়ম ও পোকা ধরা চালের বিষয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধান চালিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-এলএসডি) শাহিদ হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাংবাদিকরা। চালের বেহাল দশা নিয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে চরম অসৌজন্যমূলক আচরণ করে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘কি করতে পারেন করেন।

​একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার এমন বেপরোয়া ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্যে ফুঁসে উঠেছে পুরো বাদিয়াখালী। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মুখের খাবার নিয়ে এমন জালিয়াতি এবং কর্মকর্তার ঔদ্ধত্যের ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, অবিলম্বে এই চালের মান পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।